মঙ্গলবার, ৯ জুন, ২০২০

এক দিনে করোনায় সর্বোচ্চ মৃত্যু ও শনাক্ত

এক দিনে করোনায় সর্বোচ্চ মৃত্যু ও শনাক্ত

এক দিনে করোনায় সর্বোচ্চ মৃত্যু ও শনাক্ত



দেশে এক দিনে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে সর্বোচ্চসংখ্যক শনাক্ত ও মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। এই প্রথমবারের মতো এক দিনে শনাক্তের সংখ্যা তিন হাজার ছাড়িয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় শনাক্ত হয়েছেন ৩ হাজার ১৭১ জন এবং মৃত্যু হয়েছে ৪৫ জনের। এতে দেশে ৭০ হাজার ছাড়াল শনাক্তের সংখ্যা।

দেশে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ পরিস্থিতি নিয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত অনলাইন ব্রিফিংয়ে আজ মঙ্গলবার এমন তথ্য জানানো হয়। ব্রিফিংয়ে বলা হয়, সব মিলে দেশে করোনা শনাক্ত হয়েছেন ৭১ হাজার ৬৭৫ জনের। আর মৃত্যু হয়েছে ৯৭৫ জনের।



গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন ৭৭৭ জন। এ নিয়ে সর্বমোট ১৫ হাজার ৩৩৭ জন সুস্থ হয়েছেন। গতকাল সোমবার দেশে করোনায় সংক্রমিত ২ হাজার ৭৩৫ জন শনাক্ত হওয়ার কথা জানানো হয়েছিল। মারা গিয়েছিলেন ৪২ জন।



ব্রিফিংয়ের তথ্যমতে, গত ২৪ ঘণ্টায় ১৪ হাজার ৬৬৪ জনের জনের করোনা পরীক্ষা করা হয়। এর আগের ২৪ ঘণ্টায় ১২ হাজার ৯৪৪ জনের করোনা পরীক্ষা করা হয়েছিল। এ পর্যন্ত পরীক্ষা হয়েছে ৪ লাখ ২৫ হাজার ৯৯৫টি নমুনা।

গত ৮ মার্চ দেশে প্রথম করোনায় সংক্রমিত ব্যক্তি শনাক্তের ঘোষণা আসে। আর ১৮ মার্চ প্রথম মৃত্যুর ঘটনা ঘটে।

করোনার ঝুঁকি এড়াতে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা ও স্বাস্থ্যবিধি মানতে সবাইকে অনুরোধ করেছেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক নাসিমা সুলতানা। অনলাইন ব্রিফিংয়ে তিনি বলেন, কোভিড-১৯ চিকিৎসায় অক্সিজেন খুবই গুরুত্বপূর্ণ। অনেকেই বাসায় অক্সিজেন সিলিন্ডার কিনে রাখছেন, যা অনভিপ্রেত। অক্সিজেন থেরাপি কারিগরি বিষয়, নিজে নিজে দিতে গেলে অনেক ক্ষেত্রে এটি ক্ষতিকর হতে পারে। তাই অযথা এটি কিনে মজুত করবেন না। চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া অক্সিজেন দেওয়া উচিত নয়।

শুক্রবার, ২ আগস্ট, ২০১৯

পলিটেকনিকে ভর্তির সময় ৮ দিন বাড়লো

পলিটেকনিকে ভর্তির সময় ৮ দিন বাড়লো

ঢাকা : ২০১৬-১৭ শিক্ষাবর্ষে কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের অধীনে পরিচালিত পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট ও অন্যান্য প্রতিষ্ঠানসমূহে ভর্তি আবেদনের সময় ৮ দিন বাড়ানো হয়েছে। কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (অতিরিক্ত দায়িত্ব) অশোক কুমার বিশ্বাস বাংলামেইলকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, ‘১২ জুন পর্যন্ত সময় নির্ধারিত ছিল।

১৬ জুন একাদশে ভর্তির আবেদনের ফলাফল দেবে। ১২ তারিখে কারিগরিতে ভর্তির আবেদন বন্ধ করে দিলে, ওদিকে ১৬ তারিখের ফলাফলে কেউ সুযোগ না পেলে তখন দেখা যাবে তার ভর্তির আর সুযোগ থাকবে না।’ তিনি বলেন, ‘অন্তত একটা দরজা তো খোলা রাখতে হবে। যাতে কোনো শিক্ষার্থী বিপদে না পড়ে। আমরা মিটিংয়ে বসেছিলাম। এ বিষয়ের উপর ভিত্তি করে ২০ জুন পর্যন্ত আবেদনের সময় বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।’

 ২৬ জুন মনোনীতদের মেধাক্রম অনুযায়ী তালিকা প্রকাশ করা হবে। মেধা তালিকার ভর্তি ২৭-৩০ জুন। অপেক্ষমান তালিকা থেকে ভর্তি ২-২৫ জুলাই পর্যন্ত। ক্লাস শুরু ১৬ আগস্ট থেকে। ভর্তি সংক্রান্ত সব তথ্য কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটে (www.techedu.gov.bd) দেয়া আছে।

ঢাকা : ২০১৬-১৭ শিক্ষাবর্ষে কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের অধীনে পরিচালিত পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট ও অন্যান্য প্রতিষ্ঠানসমূহে ভর্তি আবেদনের সময় ৮ দিন বাড়ানো হয়েছে। কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (অতিরিক্ত দায়িত্ব) অশোক কুমার বিশ্বাস বাংলামেইলকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, ‘১২ জুন পর্যন্ত সময় নির্ধারিত ছিল।

১৬ জুন একাদশে ভর্তির আবেদনের ফলাফল দেবে। ১২ তারিখে কারিগরিতে ভর্তির আবেদন বন্ধ করে দিলে, ওদিকে ১৬ তারিখের ফলাফলে কেউ সুযোগ না পেলে তখন দেখা যাবে তার ভর্তির আর সুযোগ থাকবে না।’ তিনি বলেন, ‘অন্তত একটা দরজা তো খোলা রাখতে হবে। যাতে কোনো শিক্ষার্থী বিপদে না পড়ে। আমরা মিটিংয়ে বসেছিলাম। এ বিষয়ের উপর ভিত্তি করে ২০ জুন পর্যন্ত আবেদনের সময় বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।’

পলিটেকনিকে ভর্তির সময় ৮ দিন বাড়লো

 ২৬ জুন মনোনীতদের মেধাক্রম অনুযায়ী তালিকা প্রকাশ করা হবে। মেধা তালিকার ভর্তি ২৭-৩০ জুন। অপেক্ষমান তালিকা থেকে ভর্তি ২-২৫ জুলাই পর্যন্ত। ক্লাস শুরু ১৬ আগস্ট থেকে। ভর্তি সংক্রান্ত সব তথ্য কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটে (www.techedu.gov.bd) দেয়া আছে।

ঢাকা : ২০১৬-১৭ শিক্ষাবর্ষে কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের অধীনে পরিচালিত পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট ও অন্যান্য প্রতিষ্ঠানসমূহে ভর্তি আবেদনের সময় ৮ দিন বাড়ানো হয়েছে। কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (অতিরিক্ত দায়িত্ব) অশোক কুমার বিশ্বাস বাংলামেইলকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, ‘১২ জুন পর্যন্ত সময় নির্ধারিত ছিল।

১৬ জুন একাদশে ভর্তির আবেদনের ফলাফল দেবে। ১২ তারিখে কারিগরিতে ভর্তির আবেদন বন্ধ করে দিলে, ওদিকে ১৬ তারিখের ফলাফলে কেউ সুযোগ না পেলে তখন দেখা যাবে তার ভর্তির আর সুযোগ থাকবে না।’ তিনি বলেন, ‘অন্তত একটা দরজা তো খোলা রাখতে হবে। যাতে কোনো শিক্ষার্থী বিপদে না পড়ে। আমরা মিটিংয়ে বসেছিলাম। এ বিষয়ের উপর ভিত্তি করে ২০ জুন পর্যন্ত আবেদনের সময় বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।’

 ২৬ জুন মনোনীতদের মেধাক্রম অনুযায়ী তালিকা প্রকাশ করা হবে। মেধা তালিকার ভর্তি ২৭-৩০ জুন। অপেক্ষমান তালিকা থেকে ভর্তি ২-২৫ জুলাই পর্যন্ত। ক্লাস শুরু ১৬ আগস্ট থেকে। ভর্তি সংক্রান্ত সব তথ্য কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটে (www.techedu.gov.bd) দেয়া আছে।

রবিবার, ১০ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯

ভালোবাসার দিনে....দেখতে আসুন আপডেট-খবর

ভালোবাসার দিনে....দেখতে আসুন আপডেট-খবর

এ শুধু ভালোবাসার দিন। মডেল: রাকিবা ও নীল, শাড়ি: অন্যমেলা, পাঞ্জাবি: অঞ্জন’স, সাজ: পারসোনা, স্থান কৃতজ্ঞতা: ক্রিকেটার্স কিচেন, ছবি: সুমন ইউসুফছেলেটির পরনে পাঞ্জাবি আর মেয়েটির নিশ্চিত লাল শাড়ি। দেখা হোক কোনো প্রকৃতির ছায়ায় কিংবা আধুনিক রেস্তোরাঁয়। চোখের ভাষায় প্রকাশ পাবে শুধুই ভালোবাসা। প্রতিদিনই ভালোবাসার দিন। তবে ১৪ ফেব্রুয়ারি, সেটা প্রকাশের মাধ্যমে খুঁজে পাওয়া যায় অন্য রকম আমেজ ও আনন্দ।

ভালোবেসে উপহারকী থাকতে পারে সেই বাক্সে? চলুন ভাবা যাক। হতে পারে বড় প্যাকেটটিতে ছেলেটির জন্য অপেক্ষায় আছে একটি নতুন পাঞ্জাবি আর মেয়েটির জন্য ছেলেটির নিজের পছন্দে কেনা কোনো শাড়ি। হয়তো মেয়েটির প্রিয় শক্তি চট্টোপাধ্যায়ের কবিতা আর ছেলেটির হুমায়ূন আহমেদ। চলছেই তো বইমেলা। হয়তো সেই ভালো লাগার বইগুলোই অদলবদল হয়ে গেছে ভালোবাসার দিনে। আবার হয়তো মেয়েটি খুব ভালোবাসে চমক। নিত্যনতুন রোমাঞ্চ টানে তাকে খুব। তার জন্য থাকতে পারে ছেলেটির নিজের হাতে ভালোবাসা দিয়ে বানানো কার্ড। যার পরতে পরতে নতুন রোমাঞ্চ। সঙ্গে নিজেদের প্রিয় কিছু ছবি আর মনের ছোট ছোট কথা।
জিম আর ডেলার সেই গল্পের মতো ছেলেটি হয়তো বেছে বেছে মেয়েটির জন্য কিনেছে চুলের কোনো অনুষঙ্গ আর মেয়েটি কিনেছে একখানা সুন্দর ঘড়ি। কাঠের ফ্রেমে খোদাই করা দুজনের প্রিয় কোনো ছবিও থাকতে পারে উপহারের তালিকায়।
হয়তো মেয়েটি একটু রাবীন্দ্রিক আর ছেলেটি বোহিমিয়ান। রবীন্দ্রপ্রেমী মেয়েটিকে হয়তো ছেলেটি দিতে চায় রবীন্দ্রসংগীতের কোনো সংগ্রহ আর মেয়েটি ছেলেটিকে দিয়েছে জীবনকে সহজ করার মতো কোনো যন্ত্র।
উপহারে থাকুক ভালোবাসার চমক। পাঞ্জাবি: আর্ট অব ব্লু, কামিজ: অঞ্জন’সউপহারে থাকুক ভালোবাসার চমক। পাঞ্জাবি: আর্ট অব ব্লু, কামিজ: অঞ্জন’সহতে পারে একদমই ঘরোয়া কিছুও। মেয়েটি বাসা থেকে নিজ হাতে বানিয়ে এনেছে ছেলেটির পছন্দের খাবার আর ছেলেটি এনেছে মেয়েটির প্রিয় চকলেট। বাক্সে থাকতে পারে ছোট্ট কোনো সাজ–অনুষঙ্গও। হতে পারে দুজনেই দুজনের জন্য কিনেছে তেমন প্রিয় অথবা প্রয়োজনীয় কিছু। বাক্সে থাকতে পারে নিত্যপ্রয়োজনীয় কিছুও। অনেক দিন ধরেই যেটা দুজনে কিনবে কিনবে করেও কেনা হচ্ছিল না।
তবে মোড়ানো ওই বাক্সে উপহার যেটাই থাক, সেটাকে একটু যত্ন করে কেনা, পছন্দ–অপছন্দ মাথায় রেখে কেনা আর ভালোবেসে মুড়িয়ে দিলে অন্যজনের কাছে আকর্ষণ বেড়ে যায় বহুগুণ।
সঙ্গীকে আরেকটু বেশি চমকে দিতে চাইলে না হয় ভিন্ন কিছু ভাবুন। পরিকল্পনা করতে পারেন কোনো রোমান্টিক ক্যান্ডেল লাইট ডিনার ডেটেরও। আসলে প্রতিটি দিনই তো ভালোবাসার দিন। কিন্তু নাগরিক ব্যস্ততার জীবনে রোজ রোজ উদ্‌যাপনের সুযোগ কোথায়? সেখানে একটি বিশেষ দিনকে ভালোবাসার দিন হিসেবে কাটানো মন্দ নয়। তবে সব ছাড়িয়ে উপহারই কী পারে মন ভরাতে? তার থেকে বরং একটু বাড়তি ভালোবাসা দিয়েই সম্ভব ভালোবাসার সম্পর্কে নতুন করে রং ছড়ানো। তাই উপহার দিন, তবে সঙ্গে সম্পর্কেও জুড়ে দিন বাড়তি ভালোবাসার ছোঁয়া।
বসন্তের পোশাকে....দেখতে আসুন আপডেট-খবর

বসন্তের পোশাকে....দেখতে আসুন আপডেট-খবর

বসন্তের রঙে রাঙা পোশাক। মডেল: লিসা ও অতশি, শাড়ি: দেশাল, সাজ: অরা বিউটি লাউঞ্জ, ছবি: কবির হোসেনবসন্তের রঙে রাঙা পোশাক। মডেল: লিসা ও অতশি, শাড়ি: দেশাল, সাজ: অরা বিউটি লাউঞ্জ, ছবি: কবির হোসেন
আসছে ঋতুরাজ বসন্ত। গানের কথার মতো ‘ফাগুন লেগেছে বনে বনে’। গাছে গাছে, আড়ালে আড়ালে, কোণে কোণে ফুটতে শুরু করেছে কৃষ্ণচূড়া, শিমুল, পলাশ, হলুদ গাঁদা ফুল। বসন্তবরণে সবাই নানা নকশার পোশাক পরে বেরিয়ে পড়েন নানা অনুষ্ঠান আয়োজনে। সবার কথা মাথায় রেখেই সাজ সাজ রবে সেজে উঠেছে ফ্যাশন হাউসগুলো। 
বসন্তের পোশাক আয়োজন নিয়ে অঞ্জন’সের স্বত্বাধিকারী শাহীন আহমেদ বলেন, ‘আমরা সব সময় জ্যামিতিক মোটিফ নিয়ে বেশি কাজ করে থাকলেও এবার ফুলের নকশাকেই বেশি প্রাধান্য দিয়েছি। বসন্তে শাড়ি–পাঞ্জাবি পরতে পছন্দ করেন অনেকে। শাড়ি–পাঞ্জাবিতে উৎসবের রং হিসেবে হলুদ, বাসন্তীর সঙ্গে কমলা, সবুজ, জলপাই রংগুলোকে বেছে নেওয়া হয়েছে।’
এ সময় আরাম পাওয়া যাবে সুতির পোশাকে। পোশাক: দেশাল ও অঞ্জন’সএ সময় আরাম পাওয়া যাবে সুতির পোশাকে। পোশাক: দেশাল ও অঞ্জন’সশাহীন আহমেদ বলেন, ছেলেরা অন্য সময় ফুলেল মোটিফ এড়িয়ে চললেও এ সময়ে বেশ পছন্দ করে। পাঞ্জাবিতেও জায়গা করে নিয়েছে ফুলেল নকশা। এ ছাড়া শাড়ি, পাঞ্জাবিতে ব্লক, স্ক্রিন প্রিন্ট এবং এমব্রয়ডারির কাজও আছে। পোশাকগুলো সুতি কাপড়েই তৈরি করা হয়েছে। তবে কিছু লিনেন এবং সুতি সিল্কে তৈরি।
মডেল: শুভ, পোশাক: রঙ বাংলাদেশমডেল: শুভ, পোশাক: রঙ বাংলাদেশবসন্ত বসন নিয়ে দেশালের স্বত্বাধিকারী ইশরাত জাহান বলেন, এই প্রকৃতিতে রবিগুরুর ‘ফুলে ফুলে ঢলে ঢলে বহে কিবা মৃদু বায়’ গানটি মনের ভেতর বাজতে থাকে। এই ছাপ পড়ে পোশাক নকশা করার ক্ষেত্রেও। চঞ্চল প্রকৃতির আয়োজনে চারপাশে যেসব রং খেলা করে, সে রংগুলোকেই বেছে নেওয়া হয়েছে বিভিন্ন ফ্যাশন হাউসগুলোর পোশাকে। সবুজ, বাসন্তী, হলুদ, লেমন, কচি কলাপাতা রং ও সবুজের কয়েক রকমের শেড ব্যবহার করা হয়েছে। নকশায় প্রাধান্য পেয়েছে ফুল, লতাপাতার বাহার। শাড়ির জমিনের কোথাও আছে এক থোকা ফুল বা কোথাও একগুচ্ছ পাতা। আবার কোথাও কবিতা বা গানের লাইন এঁকে সুতি, লিনেন, তাঁত ইত্যাদি কাপড়ের শাড়িতে আনা হয়েছে বাংলা প্রকৃতির আদল। ওড়না, কামিজ-সালোয়ারেও রয়েছে রং, নকশার খেলা। এবারে কিছু কিছু কামিজের ঝুলে নকশা কম থাকলেও সেখানে জায়গা করে নিয়েছে এমব্রয়ডারি বা হাতে করা সুতার কাজের নকশা।
বড় ধরনের দরপতন, বেড়েছে লেনদেন...দেখতে আসুন আপডেট-খবর

বড় ধরনের দরপতন, বেড়েছে লেনদেন...দেখতে আসুন আপডেট-খবর

বড় ধরনের দরপতনের মধ্য দিয়ে শেষ হয়েছে দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) লেনদেন। তবে গত কার্যদিবসের (বৃহস্পতিবার) তুলনায় বেড়েছে লেনদেনের পরিমাণ। আজ রোববার সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবসে ডিএসইএক্স কমেছে ৪৮ পয়েন্ট, অবস্থান করছে ৫ হাজার ৭৬৩ পয়েন্টে। গত কার্যদিবসের তুলনায় লেনদেন বেড়েছে ৪০ কোটি টাকা।
ডিএসই সূত্রে জানা গেছে, আজ মোট লেনদেন হয়েছে ৮১২ কোটি ৭৭ লাখ টাকা। হাতবদল হওয়া শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ডের মধ্যে দর বেড়েছে ৭২টির, কমেছে ২৪৭টির আর দর অপরিবর্তিত আছে ২৯টির। গত কার্যদিবসে লেনদেন শেষে ডিএসইএক্স সূচক বাড়ে ২৫ পয়েন্ট। মোট লেনদেন হয় ৭৭২ কোটি ৯৭ লাখ টাকা।
আজ লেনদেনের শীর্ষে যে ১০ কোম্পানি রয়েছে, সেগুলো হলো ইউনাইটেড পাওয়ার জেনারেশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি, মুন্নু সিরামিকস, ফরচুন, বাংলাদেশ সাবমেরিন কেবল কোম্পানি লিমিটেড, লিগ্যাসি ফুটওয়্যার, জেনেক্স ইনফোস, মুন্নু স্টাফলার, পাওয়ার গ্রিড, সিঙ্গারবিডি ও সোনার বাংলা ইনস্যুরেন্স।

দর বাড়ার শীর্ষে যে ১০ কোম্পানি, সেগুলো হলো ফরচুন, জেএমআই সিরিঞ্জেস, স্টাইল ক্র্যাফট, মারিকো, এরামিট, রেনেটা, মুন্নু সিরামিকস, আইসিবিএএমসি সেকেন্ড মিউচুয়াল ফান্ড, ন্যাশনাল লাইফ ইনস্যুরেন্স ও ফাইন ফুডস।
দর কমার শীর্ষে যে ১০ কোম্পানি, সেগুলো হলো বাংলাদেশ ন্যাশনাল ইনস্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেড, সেন্ট্রাল ইনস্যুরেন্স, ফেডারেল ইনস্যুরেন্স, গ্লোবাল ইনস্যুরেন্স, অগ্রণী ইনস্যুরেন্স, কন্টিনেন্টাল ইনস্যুরেন্স, জেনেক্স ইনফোস, ইস্টল্যান্ড, জনতা ইনস্যুরেন্স ও কর্ণফুলী।
অন্যদিকে, চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) সার্বিক সূচক সিএএসপিআই ১৮৫ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে ১৭ হাজার ৫৯৬ পয়েন্টে। লেনদেনে অংশ নেওয়া কোম্পানি ও মিউচুয়াল ফান্ডগুলোর মধ্যে দর বেড়েছে ৬৬টির, কমেছে ১৮৮টির, অপরিবর্তিত রয়েছে ২৩টির।
নালিশ আর মামলা বিএনপির শেষ ভরসা: কাদের.....দেখতে আসুন আপডেট-খবর

নালিশ আর মামলা বিএনপির শেষ ভরসা: কাদের.....দেখতে আসুন আপডেট-খবর


ওবায়দুল কাদের। ফাইল ছবিওবায়দুল কাদের। ফাইল ছবিআওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, বিএনপির আন্দোলন করার মতো সামর্থ্য নেই, তাই নালিশ আর মামলাই তাদের শেষ ভরসা।
আজ রোববার ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে এ কথা বলেন কাদের। তিনি উপজেলা নির্বাচনের দ্বিতীয় ধাপে দলীয় প্রার্থীদের নাম ঘোষণার পর এ মন্তব্য করেন। 

ওবায়দুল কাদের বলেন, যেকোনো নির্বাচনের ফল নিয়ে যে কারোরই মামলা দায়েরের অধিকার রয়েছে। জাতীয় নির্বাচনের ফল নিয়ে জেলা পর্যায়ে বিএনপির মামলা করার সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানাই।
উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে দলের মনোনয়ন পাওয়া এক প্রার্থীর বিষয়ে অভিযোগ সম্পর্কে জানতে চাইলে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘বিষয়টি আমরা তদন্ত করে দেখব। তাঁর বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সত্য হলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

পৌরসভার মেয়র বা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানরা উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারবেন কি না? এ বিষয়ে কাদেরের কাছে জানতে চাওয়া হয়। এর উত্তরে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘নির্বাচন কমিশনের আইনের ব্যত্যয় যেন না হয়, সে জন্য আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছি। সে জন্যই আমরা জাতীয় নির্বাচনে উপজেলা চেয়ারম্যান এবং মেয়রদের দলীয় মনোনয়ন দিইনি।’ তিনি আরও বলেন, ‘উপজেলা পরিষদ নির্বাচনেও আমরা মেয়র ও ইউনিয়ন পরিষদের কোনো চেয়ারম্যানকে মনোনয়ন দিইনি। তারপরও কোনো অভিযোগ পেলে আমরা তদন্ত করে ব্যবস্থা নেব।’
এ সময় সাংবাদিকের অপর এক প্রশ্নের সেতুমন্ত্রী কাদের বলেন, ‘গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) অনুযায়ী, আমরা শতকরা ৩৩ ভাগ নারী প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করার জন্য চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। আমাদের আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আরপিওর ধারাটি পুরোপুরিভাবে পালন করার টার্গেট রয়েছে।’
ওবায়দুল কাদের বলেন, ২২ ফেব্রুয়ারি তৃতীয়, ২৩ ফেব্রুয়ারি চতুর্থ এবং জুন মাসে পঞ্চম ধাপের উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে দলীয় প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করা হবে।
আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফ, সাংগঠনিক সম্পাদক আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক এবং তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদ, দপ্তর সম্পাদক আবদুস সোবহান গোলাপ প্রমুখ সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন।
তাঁর নাম বলতেই এক বছর কেটে যায়!....দেখতে আসুন আপডেট-খবর

তাঁর নাম বলতেই এক বছর কেটে যায়!....দেখতে আসুন আপডেট-খবর


তাঁর নাম বলতে গেলে বিপত্তি আছে! সংগৃহীত ছবিতাঁর নাম বলতে গেলে বিপত্তি আছে! সংগৃহীত ছবি২০ বছর বয়সী এক স্ট্রাইকার আপাতত ট্রায়াল দিচ্ছেন আর্জেন্টিনার ক্লাব সান লরেঞ্জোতে। কোচ হোর্হে আলমিরনের ব্যক্তিগত অনুরোধ বলেই কলম্বিয়া থেকে ডেকে আনা হয়েছে এই স্ট্রাইকারকে। কিন্তু তাঁর নাম ধরে ডাকতে গেলেই বিপত্তি। এমনই সে নাম, তাঁকে পাস দেওয়ার জন্য ডাকতে ডাকতেই প্রতিপক্ষ বল কেড়ে নিতে পারে!
তাঁর পারিবারিক উপাধিটা নতুন কিছু নয়। স্প্যানিশ বা পর্তুগিজ ভাষাভাষীদের মধ্যে খুবই পরিচিত এক নাম, গঞ্জালেজ। কিন্তু তাঁর প্রথম নামটাই ঝামেলা বাধাচ্ছে। নামের ইংরেজি অক্ষরগুলো যখন পাশাপাশি লেখা হয়, মনে হয় মাত্রই লিখতে শিখেছে কেমন কোনো শিশু খেয়ালখুশি মতো একটানা কিছু অক্ষর লিখে গেছে। বলেই ফেলা যাক নামটি, ইএফএমএএমজেজেএএসওএনডি! কাছাকাছি বাংলা উচ্চারণযোগ্য খুশি মুখে আনতে চাইলে, এফম্যাম্‌হাসন্দ!
স্প্যানিশ ভাষাভাষীদের কাছেও নামটি অদ্ভুত। তবে তারা অন্তত এমন নামের অর্থ খুঁজে পাবেন। কারণ গঞ্জালেজের এই নাম দিয়ে আসলে পুরো এক বছরের কথা বলা হয়েছে। স্প্যানিশ ভাষায় বছরের ১২টি মাসের প্রথম অক্ষর বেছে নিয়েই এ নাম দেওয়া হয়েছে গঞ্জালেজকে। প্রথম মাস এনেরো থেকে ই, ফেব্রো থেকে এফ, মার্জো থেকে এম, এব্রিল থেকে এ, মায়ো থেকে নেওয়া হয়েছে এম। জুনিও ও জুলিও থেকে দুটি জে, অগস্তো থেকে এসেছে এ, সেপ্টিয়েম্ব্রে থেকে এস। অক্টুব্রে থেকে ও, নভিয়েম্ব্রে থেকে এন এবং ডিসিয়েম্ব্রে থেকে এসেছে ডি। এসব মিলিয়েই ইএফএমএএমজেজেএএসওএনডি বা এফম্যাম্‌হাসন্দ। যদিও অন্যদের সুবিধার্থে হাসন্দ নামেই পরিচয় দেন।
১৮ বছর বয়সেই কলম্বিয়াতে আলো ছড়িয়েছেন হাসন্দ। কোচ হোর্হে আলমিরনের অধীনে অ্যাটলেটিকো ন্যাসিওনালের হয়ে গ্রেমিওর মতো দলের বিপক্ষে গোলও করেছেন। কোচ আলমিরন অ্যাটলেটিকো ছেড়ে এই নভেম্বরেই সান লরেঞ্জোর দায়িত্ব নিয়েছেন। কোচের ডাকে বুয়েনেস এইরেসে হাজির হয়েছেন হাসন্দ। তবে বানান নয়, পায়ের কাজেই মানুষের কাছে নিজের নামটা স্মরণীয় করে রাখতে চাইবেন হাসন্দ।
দুর্ঘটনায় ফেরদৌস ও পূর্ণিমা আহত.....দেখতে আসুন আপডেট-খবর

দুর্ঘটনায় ফেরদৌস ও পূর্ণিমা আহত.....দেখতে আসুন আপডেট-খবর


পূর্ণিমা ও ফেরদৌস
পূর্ণিমা ও ফেরদৌসচিত্রনায়ক ফেরদৌস আর চিত্রনায়িকা পূর্ণিমা মোটরসাইকেল দুর্ঘটনার শিকার হয়েছেন। আজ রোববার সকালে ঘটনাটি ঘটেছে নোয়াখালীর চরমণ্ডলে। সেখানে ‘গাঙচিল’ ছবির শুটিং করছেন তাঁরা। ছবিটির পরিচালক নঈম ইমতিয়াজ নেয়ামূল প্রথম আলোকে বলেন, ‘আজ সকালে মোটরসাইকেলের একটি দৃশ্যের শুটিং হচ্ছিল। গতকাল শনিবার এই দৃশ্যের শুটিং হয়েছে। কিছু কাজ বাকি ছিল। সেটাই আজ করা হয়। মোটরসাইকেল চালাচ্ছিলেন পূর্ণিমা। পেছনে বসে ছিলেন ফেরদৌস। কিছু বুঝে ওঠার আগেই রাস্তায় স্লিপ কেটে তাঁদের মোটরসাইকেল উল্টে যায়। ফেরদৌস আর পূর্ণিমা ছিটকে গিয়ে রাস্তার পাশে পড়ে যান। দুজন যথেষ্ট ব্যথা পেয়েছেন। দুজনেরই শরীরের কিছু স্থানে কেটে গেছে। সেখান থেকে রক্ত ঝরেছে। তাঁদের হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে।’
আজ দুপুরে নঈম ইমতিয়াজ নেয়ামূলের সঙ্গে যখন কথা হয়, তখন ফেরদৌস আর পূর্ণিমাকে বসুরহাট সেন্ট্রাল হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। তিনি আরও জানালেন, ঘটনার পর ফেরদৌস আর পূর্ণিমাকে বিশ্রামে রাখা হয়। কিন্তু ব্যথা বেড়ে যাওয়ায় তাঁদের হাসপাতালে নেওয়া হচ্ছে।
পূর্ণিমা ও ফেরদৌসএরপর কথা হয়েছে ফেরদৌসের সঙ্গেও। তিনি বলেন, ‘প্রচণ্ড ব্যথা পেয়েছি। পূর্ণিমাও। আমি ব্যথা পেয়েছি সোল্ডারে আর পূর্ণিমা পায়ে। দুজনেরই খুব ব্যথা হচ্ছে। পূর্ণিমার পা ফুলে গেছে। হাসপাতালে যাচ্ছি। দেখি ডাক্তার কী বলেন।’

৬ ফেব্রুয়ারি থেকে চরমণ্ডল আর চর এলাহিতে ‘গাঙচিল’ ছবির শুটিং করছেন ফেরদৌস আর পূর্ণিমা। গতকাল তাঁদের সঙ্গে যোগ দিয়েছেন আনিসুর রহমান মিলন। সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের উপন্যাস ‘গাঙচিল’ নিয়ে ছবিটি তৈরি করছেন নঈম ইমতিয়াজ নেয়ামূল।
 এসএসসির উত্তরপত্র খোয়া , কেন্দ্রসচিবসহ চার শিক্ষককে অব্যাহতি...দেখতে আসুন আপডেট-খবর

এসএসসির উত্তরপত্র খোয়া , কেন্দ্রসচিবসহ চার শিক্ষককে অব্যাহতি...দেখতে আসুন আপডেট-খবর

মেহেরপুর সদর উপজেলার আমঝুপি মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয় কেন্দ্র থেকে গতকাল শনিবার এসএসসি পরীক্ষার গণিতের একটি উত্তরপত্র হারিয়ে যাওয়ায় কেন্দ্রসচিব, সহকারী কেন্দ্রসচিব, ওই কক্ষের দুই পরিদর্শককে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। গতকাল মেহেরপুরের জেলা প্রশাসক মো. আতাউল গনি স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে তাঁদের অব্যাহতি দেওয়ার পাশাপাশি কারণ দর্শাতে বলা হয়েছে।
অব্যাহতি প্রাপ্ত ব্যক্তিরা হলেন আমঝুপি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও কেন্দ্রসচিব আহাম্মদ আলী, আমঝুপি মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও সহকারী কেন্দ্রসচিব সহিদুল ইসলাম, ১১৩ নম্বর কক্ষের পরিদর্শক মোমিনপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মোছা. জান্নাতুল ও বলিয়ার মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক আবুল বাসার।
অব্যাহতি পত্রে বলা হয়েছে, ০৯/০২/২০১৯ তারিখ চলমান এসএসসি পরীক্ষার গণিত পরীক্ষায় মেহেরপুর সদর উপজেলার আমঝুপি মাধ্যমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রের আওতাধীন আমঝুপি মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয় ভেন্যু কেন্দ্রের ১১৩ নম্বর কক্ষে ৪০ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেয়। পরীক্ষা শেষে অনেক খোঁজাখুঁজি করার পর ৩৯টি উত্তরপত্র পাওয়া গেছে। একটি উত্তরপত্র পাওয়া যায়নি। পাবলিক পরীক্ষার মতো একটি গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষায় দায়িত্বে অবহেলার কারণে চলমান সব পরীক্ষা থেকে উক্ত চার শিক্ষককে অব্যাহতিসহ কারণ দর্শানোর নোটিশ করা হয়েছে।

একই পত্রে মেহেরপুর সদর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা বিনয় কুমার চাকীকে ওই কেন্দ্রের কেন্দ্রসচিব এবং বলিয়ারপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবুল কাশেমকে সহকারী কেন্দ্রসচিবের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
কর না দিতে এ কী কথা!....দেখতে আসুন আপডেট-খবর

কর না দিতে এ কী কথা!....দেখতে আসুন আপডেট-খবর



নিজেকে একজন ব্যক্তি হিসেবে পরিচয় দিতে অস্বীকার করেছেন অস্ট্রেলিয়ার ভিক্টোরিয়া রাজ্যের এক বাসিন্দা। মানুষ হিসেবে তাঁর কোনো ব্যক্তি পরিচয় নেই বলে দাবি করেন তিনি। আর এর পুরোটাই হয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে আসা ৬ বছর কর না দেওয়ার অভিযোগকে কেন্দ্র করে।
গত বুধবার রাজ্যের বেন্ডিগো ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে এ ঘটনা ঘটে। ৬ বছর ধরে কেন কর দিচ্ছেন না—এই প্রশ্নের উত্তরে অভিযুক্ত গ্লেন জেমস পোলগাইস এমন ‘অদ্ভুত’ যুক্তি দেখান। আদালত তাঁর যুক্তিকে 'আজেবাজে কথা’ বলে আখ্যায়িত করেছেন।
কর না দিতে এ কী কথা!
গত ২০১২ থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত কর দেননি গ্লেন জেমস। এর কারণ জানতে আদালতে হাজির করা হয় তাঁকে। আদালতকে তিনি বলেন, ‘ব্যক্তি বা স্বত্বা হিসেবে যেসব উপাদান একজন মানুষের থাকতে হয়, তা আমার নেই। আমি প্রকৃতির দেওয়া উপাদান ব্যবহার করে জীবনযাপন করি। তাই মানুষ হলেও আমি কোনো ব্যক্তি নই। যেহেতু আমি ব্যক্তি হিসেবে আমার পরিচয় বাতিল করেছি, সেহেতু আমি কর দেওয়ার উপযুক্ত নই। কেননা আইন অনুযায়ী একজন ব্যক্তি কর দেবে। আর তাই যে ব্যক্তি পরিচয়ের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়েছে, সেই পরিচয় আমার নেই।’
নিজের যুক্তির পক্ষে কথা বলতে আন্তর্জাতিক সহায়তা চেয়েছেন গ্লেন জেমস। তবে আদালত তাঁর কোনো যুক্তিই আইন অনুযায়ী মেনে নেননি। কারণ গ্লেন জেমসের বার্ষিক আয় নির্দিষ্ট বলে প্রমাণ মিলেছে। আদালত তাই তাঁকে কর ও জরিমানা বাবদ আগামী ১ মের মধ্যে ৬ হাজার অস্ট্রেলীয় ডলার পরিশোধের আদেশ দিয়েছেন। আদালত রায় শেষে বলেন, ‘তাঁর যুক্তি আইনকে একটি কৌতুকে পরিণত করছে।’
বাংলাদেশে ৩৬% মোবাইল ম্যালওয়্যার আক্রান্ত....দেখতে আসুন আপডেট-খবর

বাংলাদেশে ৩৬% মোবাইল ম্যালওয়্যার আক্রান্ত....দেখতে আসুন আপডেট-খবর

ম্যালওয়্যার আক্রমণের দিক থেকে বাংলাদেশ সবচেয়ে ঝুঁকিতে। ছবি: কমপারিটেক।
দেশের মোট মোবাইলের ৩৫ দশমিক ৯১ ও পিসির ১৯ দশমিক ৭ শতাংশ ম্যালওয়্যার বা ক্ষতিকর প্রোগ্রামে আক্রান্ত। সে হিসাবে বিশ্বের ৬০ টি দেশের মধ্যে বাজে সাইবার নিরাপত্তার দেশের তালিকায় বাংলাদেশের অবস্থান ৬ নম্বরে। ম্যালওয়্যারের আক্রমণ, সাইবার নিরাপত্তা প্রস্তুতি, হালনাগাদ সাইবার নিরাপত্তা সংক্রান্ত আইন বিবেচনায় এ গবেষণা করেছেন যুক্তরাজ্যের গবেষণা প্রতিষ্ঠান কমপারিটেক।
মোবাইল ফোন আমদানিকারকদের সংগঠন বাংলাদেশ মোবাইল ফোন ইমপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিএমপিআইএ) হিসাব অনুযায়ী, দেশে বর্তমানে ৯ কোটি মোবাইল ফোন সক্রিয় রয়েছে। ১৫ কোটি সিম সক্রিয় রয়েছে। মোট ফোনের মধ্যে অ্যান্ড্রয়েড ব্যবহারকারী ২৫–৩০ শতাংশ। বাংলাদেশ কম্পিউটার বিক্রেতাদের সূত্রে জানা গেছে, দেশে বর্তমানে প্রতি বছর ১ লাখ ২০ হাজার ইউনিট পিসি বিক্রি হচ্ছে।
কমপারিটেকের তালিকায় বাংলাদেশের স্কোর ৪৭ দশমিক ২১। বাংলাদেশের পেছনে রয়েছে কেবল উজবেকিস্তান, তানজানিয়া, ভিয়েতনাম,ইন্দোনেশিয়া ও আলজেরিয়া। সাইবার নিরাপত্তার ক্ষেত্রে সবচেয়ে বাজে অবস্থা আলজেরিয়ার। তাদের স্কোর ৫৫ দশমিক ৭৫। তালিকায় ৪৭ দশমিক ১০ পয়েন্ট নিয়ে বাংলাদেশের চেয়ে একধাপ এগিয়ে পাকিস্তান। ভারতের অবস্থান ১৫ তম। ভারতের স্কোর ৩৯ দশমিক ৩০। এ তালিকায় যে দেশের স্কোর সবচেয়ে কম সে দেশ সাইবার নিরাপত্তায় তত বেশি শক্তিশালী। তালিকায় মাত্র ৮ দশমিক ৮ স্কোর নিয়ে সাইবার নিরাপত্তার দিক থেকে শীর্ষে রয়েছে জাপান। এরপরের অবস্থান যথাক্রমে ফ্রান্স, কানাডা, ডেনমার্ক, যুক্তরাষ্ট্র, আয়ারল্যান্ড, সুইডেন, যুক্তরাজ্য, নেদারল্যান্ডস, সিঙ্গাপুর ও অস্ট্রেলিয়া।

কমপারিটেক তাদের প্রতিবেদনে যে বিষয়গুলো বিবেচনা করেছে, সেখানে বাংলাদেশের সাইবার নিরাপত্তার ক্ষেত্রে বাজে অবস্থানে জন্য মোবাইল ম্যালওয়্যার ও কম্পিউটার ম্যালওয়্যারের বিষয়টি বেশি গুরুত্ব পেয়েছে। বিশ্বের অন্যান্য দেশের তুলনায় কিছু কিছু ক্ষেত্রে ব্যাপক পার্থক্য রয়েছে। এর মধ্যে ম্যালওয়্যারের আক্রমণের হার বা সাইবার নিরাপত্তা সংক্রান্ত হালনাগাদ আইন রয়েছে। এ ছাড়া সাইবার নিরাপত্তা প্রস্তুতির বিষয়টি বিবেচনা করতে ইন্টারন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন ইউনিয়নের (আইটিইউ) ২০১৭ সালের গ্লোবাল সাইবার সিকিউরিটি ইনডেক্স (https://www.itu.int/dms_pub/itu-d/opb/str/D-STR-GCI.01-2017-R1-PDF-E.pdf) বিবেচনা করা হয়েছে। ওই তালিকায় বিশ্বে বাংলাদেশর অবস্থান ৫৩।
কমপারিটেকের প্রতিবেদন অনুযায়ী, বাংলাদেশে আর্থিক খাতে আক্রমণ ১ দশমিক ৩ শতাংশ, আইওটি বা টেলনেট ক্ষেত্রে আক্রমণ দশমিক ৩৮ শতাংশ, ক্রিপটোমাইনারসের আক্রমণ ৩ দশমিক ৩১ শতাংশ।
কমপারিটেক তাদের প্রতিবেদনে আরও বলেছে, কয়েকটি দেশের কিছু কিছু ক্ষেত্রে দুর্বলতা ও কিছু ক্ষেত্রে শক্ত অবস্থান রয়েছে। বাংলাদেশসহ প্রতিটির দেশে সাইবার নিরাপত্তার ক্ষেত্রে আরও উন্নতি করার সুযোগ রয়েছে। কম্পিউটার ও মোবাইল খাতে আরও নিরাপত্তা বাড়ানো, সাইবার নিরাপত্তা আইন শক্তিশালী করার মতো বিষয়গুলোতে গুরুত্ব দিতে হবে।
ত্রয়ীর প্রাচ্যভাবনা....দেখতে আসুন আপডেট-খবর

ত্রয়ীর প্রাচ্যভাবনা....দেখতে আসুন আপডেট-খবর

‘বৃষ্টিস্নাত নৃত্য’, শিল্পী: জাহাঙ্গীর আলমগুরু–শিষ্য পরম্পরাই হচ্ছে প্রাচ্য শিল্পের মূল চেতনা। প্রাচ্য শিল্প মানেই ঘরানাভিত্তিক শিল্পের বিস্তার। একটি রীতিকে প্রতিষ্ঠিত করা, একটি সাধনালব্ধ আঙ্গিককে প্রতিনিয়ত চর্চার মধ্যে গুরু এক নিজস্ব ভুবন তৈরি করে, অতঃপর শিষ্যদের মধ্যে সেটি ছড়িয়ে দেন। এভাবে তৈরি হয় পরম্পরা। সম্প্রতি ঢাকার আলিয়ঁস ফ্রঁসেসে ‘গুরু-শিষ্য: শিষ্য-গুরু’ এই এক শিরোনামে শুরু হয়েছে এক যৌথ চিত্র প্রদর্শনী ।
প্রাচ্যভাবনা ও প্রাচ্য আঙ্গিক প্রসূত এই প্রদর্শনীটি ইতিমধ্যে শিল্পামোদী কলারসিকদের ভেতরে বেশ সাড়া ফেলেছে। মলয় বালা, জাহাঙ্গীর আলম ও অমিত নন্দী। প্রাচ্য রীতির গুরু–শিষ্য পরম্পরার তিন শিল্পী। তিনজনেই পরস্পরের গুরু আবার শিষ্যও। তবে প্রদর্শনী থেকে বোঝার উপায় নেই কে শিষ্য, কে গুরু। তবে এই শিল্পীরা যে একটি প্রাচ্য বোধের চেতনা দ্বারা তাড়িত তা বলা যায়।
প্রাচ্য বোধ আসলে কী? যা আমাদের এই ভূখণ্ডের সংস্কৃতিকে প্রতিফলিত করে, যা আমাদের জল-মাটি থেকে উৎসারিত, যার শেকড় অনেক গভীরে প্রোথিত। অবনীন্দ্র, নন্দলাল, অমিতকুমাররা চেয়েছিলেন প্রাচ্য শিল্পের শেকড়ের অনুসন্ধান এই বাংলাতেই। সফলও হয়েছিলেন। তবে পাশ্চাত্যে বেনোজলে অনেকটাই যেন ভেসে গেল।

মলয়, জাহাঙ্গীর ও অমিত—এই তিন শিল্পীর প্রতিনিয়ত চর্চার স্থল ‘দি ওরিয়েন্টাল পেইন্টিং স্টুডিও’। এই চিত্র-কর্মশালাতেই তাঁরা চর্চা করে আসছেন দীর্ঘদিন। প্রাচ্য রীতি অনুশীলনের পাশাপাশি প্রাচ্যবিষয়ক অধ্যয়ন, আলাপচারিতা ইত্যাদির মধ্য দিয়েও সমৃদ্ধ হয়েছেন তিন শিল্পী। বলার বিষয় হলো, তিনজন একই স্টুডিওর সদস্য হওয়া সত্ত্বেও প্রত্যেকের স্বকীয়তা এবং স্বাতন্ত্র্যতা চোখে পড়ার মতো। কেউ কাউকে অনুসরণ করেনি। হেঁটেছেন নিজস্ব পথে। যেমন, ধৌত পদ্ধতিতে প্রলেপের পর প্রলেপ এঁকে মলয় এক ঐন্দ্রজালিক সৌন্দর্য সৃষ্টি করেন। শিকড়–বাকড়ের আবহের মধ্যে ধোঁয়াশে মানব অবয়ব তৈরি করে প্রাচ্য শিল্পের এক রহস্যময় বিস্তার ঘটান।
আবার বর্ণ নিয়ে বরাবরই এক ধরনের খেলায় মেতে ওঠেন জাহাঙ্গীর। প্রাচ্য শিল্পের প্রচলিত শৃঙ্খলা থেকে বেরিয়ে এসে নতুন আঙ্গিকে নির্মাণে সচেষ্ট তিনি। খেয়ালি বর্ণ বিস্তারের মধ্য দিয়ে যেন এক ধরনের শরীরী অবয়ব দৃশ্যমান হয়ে ওঠে।
অমিতের কাজের প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো, প্রাচ্য ভাবাদর্শে কিছুটা আধুনিক আঙ্গিকে ভারতীয় মিথ-পুরাণের নানা কল্প-কাহিনিকে তুলে ধরা। দৃশ্যগতভাবে তা আমাদের সামনে আধুনিকভাবে উপস্থাপিত হলেও সেটি প্রাচ্য ভাবাদর্শে উজ্জীবিত। অমিতের ছবি ঐতিহ্য ও আধুনিকতার মেলবন্ধন ঘটিয়েছে।
পুরো উপজেলায় পরীক্ষার্থী মাত্র একজন!....দেখতে আসুন আপডেট-খবর

পুরো উপজেলায় পরীক্ষার্থী মাত্র একজন!....দেখতে আসুন আপডেট-খবর


কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলায় ১০টি বিদ্যালয়ের ১ হাজার ৩০১ জন পরীক্ষার্থী এসএসসি পরীক্ষা দিচ্ছে। পরীক্ষাকেন্দ্র রয়েছে দুটি। গতকাল সোমবার ছিল শারীরিক শিক্ষা, স্বাস্থ্যবিজ্ঞান ও খেলাধুলা বিষয়ের পরীক্ষা। পুরো উপজেলায় এ বিষয়ের পরীক্ষার্থী রয়েছে মাত্র একজন। তার নাম মোহাম্মদ হুমায়ুন কবির। সে পেকুয়া সরকারি মডেল জিএমসি ইনস্টিটিউশনের মানবিক বিভাগের অনিয়মিত ছাত্র। তার পরীক্ষাকেন্দ্র হচ্ছে পেকুয়া বালিকা উচ্চবিদ্যালয়।
পেকুয়া বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও কেন্দ্রসচিব আবুল হাসেম প্রথম আলোকে বলেন, শারীরিক শিক্ষা, স্বাস্থ্যবিজ্ঞান ও খেলাধুলা বিষয়টি ২০১৫-১৬ সেশনে মূল বিষয় হিসেবে অন্তর্ভুক্ত ছিল। ২০১৬-১৭ সেশন থেকে বিষয়টি ধারাবাহিক মূল্যায়নে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। ফলে শারীরিক শিক্ষা, স্বাস্থ্যবিজ্ঞান ও খেলাধুলা বিষয়টি ‘মূল বিষয়’ হিসেবে আর নেই।
তবে গতকাল পরীক্ষায় অংশ নেওয়া ছাত্রটি ২০১৫-১৬ সেশনের ২০১৭ সালের পরীক্ষার্থী ছিল। অনিয়মিত ছাত্র হিসেবে সে উক্ত বিষয়ে পরীক্ষায় অংশ নেয়। পরীক্ষার্থী একজন হলেও দায়িত্ব পালনে কোনো কমতি ছিল না।
পরীক্ষা শেষে কথা হয় হুমায়ুন কবিরে সঙ্গে। সে প্রথম আলোকে বলে, ‘জানতাম না পরীক্ষার্থী শুধু আমি একজনই। পরীক্ষাও খুব ভালো হয়েছে। সবাই খুব আন্তরিক ছিলেন।’
সকাল ১০টার দিকে কেন্দ্র পরিদর্শনে যান পেকুয়া উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আ ফ ম হাসান। তিনি বলেন, ‘পরীক্ষা পরিচালনা কমিটির সদস্য হিসেবে এটি আমার জীবনের অন্য রকম অভিজ্ঞতা।’
এদিকে ফেনী সরকারি বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ের এসএসসি পরীক্ষাকেন্দ্রে গতকাল শারীরিক শিক্ষা, স্বাস্থ্যবিজ্ঞান ও খেলাধুলা বিষয়ে মাত্র দুজন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়েছে। তারা দুজনও ছিল অনিয়মিত পরীক্ষার্থী।
 কেন্দ্রসচিব সুব্রত নাথ বলেন, মাত্র দুজন অনিয়মিত পরীক্ষার্থী একটি কক্ষে বসে পরীক্ষা দিয়েছে। তবে নিময় অনুযায়ী সবকিছু করা হয়েছে। ফেনী জেলা প্রশাসকও ওই কেন্দ্র পরিদর্শন করে গেছেন।
অনিন্দ্যসুন্দর আন্ধারমানিক...দেখতে আসুন আপডেট-খবর

অনিন্দ্যসুন্দর আন্ধারমানিক...দেখতে আসুন আপডেট-খবর

নৌকায় যখন বড়মদকের পথ ধরলাম, ঘড়িতে সময় সাড়ে সাতটা। নভেম্বরের সকাল। আকাশে ভাসছিল পেঁজা তুলোর মতো মেঘ। যার কিছুটা মিশেছে পাহাড়ের মাথায়। সাঙ্গু নদের বুক চিরে ইঞ্জিন নৌকা এগিয়ে চলল, পেছনে পড়ে রইল থানচি উপজেলার রেমাক্রি।
আগের রাতে বান্দরবান থেকে রেমাক্রিতে এসে আস্তানা পেতেছিলাম। থানচি থেকে রেমাক্রি পর্যন্ত চেনা পথ। কিন্তু সামনের দিকে যতই এগিয়ে যাচ্ছি, ততই ঘন হয়ে আসছিল নদীর দুই ধারের পাহাড়ি বন। সাক্ষী হচ্ছিলাম অচেনা সৌন্দর্যের। সে সৌন্দর্য মোহিত করেছে দলের প্রত্যেককেই।
নদীর দুই ধারের বুনো সৌন্দর্য উপভোগ করতে করতে পৌঁছালাম বড়মদকে। সকাল ১০টা তখন। দুই নৌকায় আমরা ছিলাম ১১ জন। একে একে সবাই নেমে পড়লাম। এখানে বড় একটা পাহাড়ি বাজার আছে, আর আছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) ক্যাম্প।
থানচি থেকে অনুমতি মিলেছিল এই বড়মদক পর্যন্ত ঘুরে বেড়ানোর। কিন্তু আমাদের মনের গন্তব্য তো আন্ধারমানিক! সে পথে যেতে চাইলে বিজিবি ক্যাম্প থেকে অনুমতি নিতে হয়। অনুমতি নিতেই ক্যাম্পে গেলাম।
পাহাড়ের ওপরে বাঁধানো সিঁড়ি বেয়ে প্রায় ১ হাজার ২০০ ফুট উচ্চতায় সে ক্যাম্প। পৌঁছাতেই অনেকের গলদঘর্ম অবস্থা। পরিচিত হলাম ক্যাম্প কমান্ডারের সঙ্গে। তিনি জানালেন, বড়মোদক থেকে সামনে এগোতে হলে তারা সর্বোচ্চ সতর্কতার মধ্যে পথ চলেন। তিনি আরও নানা প্রতিবন্ধকতার কথা শোনালেন। তাঁর কথা শুনে দলের কয়েকজন তো ভয়ে জড়সড়! আলাপের মধ্যেই সুখবরটাও তিনি শোনালেন। আমাদের আন্ধারমানিক পর্যন্ত যেতে দেওয়া হবে। তবে সঙ্গে থাকবে বিজিবির গাইড, আর মেনে চলতে হবে কিছু নির্দেশনা।
নৌকা চলল উজানপানে
একবাক্যে সব শর্তে সম্মতি দিলাম আমরা। ফের সাঙ্গুর উজানপানে চলতে শুরু করল ইঞ্জিন নৌকা। আবারও সেই চোখ জুড়িয়ে দেওয়া সবুজ, বিশাল পাহাড় মেলে ধরে আছে রহস্যময়তা, নীরব পাথরের গায়ে বাড়ি খেয়ে ফিরে আসা ইঞ্জিন নৌকার শব্দ। চারদিকে আমরা ছাড়া আর কোনো জনমানুষ নেই। কেমন একটা গা ছমছমে অনুভূতি।
প্রায় দেড় ঘণ্টা পর মাঝি একটা টানেলের মতো জায়গায় নৌকা থামালেন। ইঞ্জিনের শব্দ মিলিয়ে যাওয়ার আগেই জানালেন, ‘এহান থাইকা আন্ধারমানিকে যাওয়ার পথ শুরু।’
নীরবতা জেঁকে বসেছে যেন। ভরদুপুরে মনে হচ্ছিল আসন্ন সন্ধ্যা। নীরব প্রকৃতির ঘুম ভাঙাতে সময়ে সময়ে ঝিঁঝি পোকাদের আওয়াজ, নিয়ম মেনে নাম না–জানা পাখির কিচিরমিচির, তার সঙ্গে টানেলের মুখ থেকে ক্ষণে ক্ষণে ভেসে আসা অদ্ভুত শব্দ—সব শব্দ মিশে ভয়–জাগানিয়া এক মুহূর্ত।

তবু আমাদের পথচলা থামল না। শুরুতে গোড়ালি পর্যন্ত পানি ছিল, যতই সামনের দিকে এগোলাম, পানির পরিমাণ বাড়তে থাকল। সামনের বাঁক পেরোতেই খুব সুন্দর একটা ঝরনার দেখা মিলল। সবার মুগ্ধতা দেখে গাইড জানালেন, এ রকম অসংখ্য ঝরনার দেখা মিলবে সামনেই। ঠিক তখনই লম্বা একটা সাপের সঙ্গে সাক্ষাৎ। এঁকেবেঁকে এগিয়ে যাচ্ছে আপনমনে। সাপ দেখে অনেকের তো পা আটকে গেল।
মাঝি তখন সৌন্দর্যের লোভ দেখালেন। বললেন, সামনেই তো সেই মনমাতানো ঝরনা। প্রায় দশ মিনিট যাওয়ার পর সত্যিই সবার চোখজোড়া ছানাবড়া হওয়ার জোগাড়। নাম না–জানা সেই পাহাড়ি ঝরনা নারীর চুলের বেণির মতো পাহাড়ের গা বেয়ে নেমে এসেছে।
বেশ কিছু ছবি তুলে নিলাম, আর কিছু থাকল মনের ক্যামেরায়, যেমনটা এখনো আছে আন্ধারমানিক।
যাবেন যেভাবে
ঢাকা থেকে বাসে যেতে হবে বান্দরবান। শ্যামলী, এস আলম, ইউনিকসহ বিভিন্ন পরিবহনের বাস পাওয়া যায়। বান্দরবান শহর থেকে চান্দের গাড়ি, জিপ কিংবা বাসে করে যেতে পারেন থানচি শহরে। থানচির বিজিবি ক্যাম্পে গিয়ে অনুমতি নিতে হবে। সে অনুমতি পাওয়া সাপেক্ষেই রেমাক্রি থেকে ইঞ্জিন নৌকায় করে বড়মোদক পার হয়ে আন্ধারমানিকে যেতে হয়। পথটা যেহেতু নৌকায় যেতে হয়, তাই থানচি থেকে লাইফ জ্যাকেট সঙ্গে নিতে ভুলবেন না।
সৌরবিদ্যুতের উদ্বৃত্ত জাতীয় গ্রিডে.....দেখতে আসুন আপডেট-খবর

সৌরবিদ্যুতের উদ্বৃত্ত জাতীয় গ্রিডে.....দেখতে আসুন আপডেট-খবর


প্রথম আলো ফাইল ছবি
বাংলাদেশের বিদ্যুৎ বিতরণ কোম্পানিগুলো সম্প্রতি প্রায় ৩৫টি গ্রাহক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ‘নেট মিটারিং গাইডলাইন ২০১৮’–এর আওতায় চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। বাংলাদেশ সরকারের বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় ২০১৮ সালের জুলাই মাসে ওই গাইডলাইন জারি করেছিল। স্বাক্ষরিত চুক্তির আওতায় প্রায় পাঁচ মেগাওয়াট ক্ষমতার বিদ্যুৎশক্তি নবায়নযোগ্য উৎস থেকে গ্রিডে যুক্ত হবে বলে আশা করা হচ্ছে। এ–জাতীয় চুক্তি আরও অনেক হবে বলে আশা করা যায়। চুক্তির অধীনে যোগ্য গ্রাহক নিজ মালিকানার গৃহস্থালি, বাণিজ্যিক বা শিল্পকারখানার ছাদ বা উন্মুক্ত স্থানে স্থাপিত সৌরবিদ্যুৎ প্যানেলে উৎপাদিত উদ্বৃত্ত বিদ্যুৎ (গ্রাহক নিজে ব্যবহার করার পর বাড়তি বিদ্যুৎ) বিতরণ কোম্পানির কাছে (বিদ্যুৎ গ্রিডে) নির্ধারিত মূল্যে বিক্রি করবেন। এ ক্ষেত্রে গ্রাহকের সরবরাহকৃত নবায়নযোগ্য বিদ্যুতের মূল্য পরিশোধ করতে বিতরণ কোম্পানি গ্রাহকের গ্রিড থেকে নেওয়া বিদ্যুৎ বিলের সঙ্গে মূল্য সমন্বয় করবে। ফলে নবায়নযোগ্য জ্বালানি (যেমন সূর্যের আলো) উৎস থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনে উৎসাহ সৃষ্টি হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
প্রকাশিত গাইডলাইন অনুযায়ী, এ পদ্ধতি ব্যবহার করে গ্রাহক নিজের অনুমোদিত লোডের ৭০ শতাংশ পর্যন্ত জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করতে পারবেন। নেট মিটারিং পদ্ধতির আওতায় প্রাথমিকভাবে সর্বোচ্চ এসি আউটপুট তিন মেগাওয়াটে সীমিত রাখা হয়েছে (সৌরবিদ্যুৎ প্যানেল থেকে ‘ডিসি’ বা ‘ডাইরেক্ট কারেন্ট’ উৎপাদিত হয়, যা গ্রিডে সরবরাহের আগে ইনভার্টারের মাধ্যমে এসি বিদ্যুতে রূপান্তর করা হয়)। গ্রাহকের আমদানিকৃত (গ্রিড থেকে নেওয়া) বিদ্যুৎশক্তি তার রপ্তানিকৃত (নবায়নযোগ্য জ্বালানি দিয়ে উৎপাদিত বিদ্যুতের গ্রিডে সরবরাহকৃত অংশ) বিদ্যুৎশক্তি সমান হলে গ্রাহকপ্রতি বিলিং সময়কালে কেবল ডিমান্ড চার্জ ও অন্যান্য নির্ধারিত চার্জ (সাধারণ গ্রাহকের ওপর সচরাচর প্রযোজ্য) পরিশোধ করেন। কোনো বিলিং সময়কালে নেট মিটারিং পদ্ধতির আওতায় গ্রাহকের বিদ্যুৎ রপ্তানির পরিমাণ আমদানির চেয়ে বেশি হলে তা ক্রেডিট হিসেবে পরবর্তী বিলের সঙ্গে সমন্বয়ের ব্যবস্থা থাকে। নির্দিষ্ট মিটার স্থাপনের মাধ্যমে গ্রাহক কী পরিমাণ নবায়নযোগ্য জ্বালানি উৎপাদন করছেন, গ্রিড থেকে কত বিদ্যুৎ ব্যবহার করছেন, কী পরিমাণ উদ্বৃত্ত বিদ্যুৎ গ্রিডে সরবরাহ করছেন, তা নিয়মিত পরিবীক্ষণের ব্যবস্থা সিস্টেমে সংযুক্ত করা হয়। বাড়ি, বাণিজ্যিক স্থাপনা, শিল্পকারখানার ছাদ বা উন্মুক্ত স্থানে সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন করে নিজে ব্যবহার ও উদ্বৃত্ত অংশ গ্রিডে সরবরাহের ব্যবস্থা পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে দীর্ঘদিন বেশ চালু আছে। বিলম্বে হলেও আমাদের দেশে এর যাত্রা শুরু হলো।
২০২০ সালের মধ্যে মোট উৎপাদিত বিদ্যুতের ১০ শতাংশ নবায়নযোগ্য জ্বালানি উৎস থেকে উৎপাদন ও সরবরাহ করার লক্ষ্যে বাংলাদেশ সরকার কাজ করছে। এখন পর্যন্ত গ্রিড বিদ্যুতের আওতার বাইরে প্রায় ২ হাজার ৮০০ মেগাওয়াটের ক্যাপটিভ বিদ্যুৎসহ মোট ২০ হাজার ৪০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎশক্তি উৎপাদনের সামর্থ্য তৈরি হয়েছে (ভারত থেকে আমদানি করা ১ হাজার ১৬০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎসহ। দেশে গ্রিড সংযোগের বাইরে মোট সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা এখন পর্যন্ত প্রায় ৩২৬ মেগাওয়াট।
ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে বাংলাদেশে নবায়নযোগ্য জ্বালানির সবচেয়ে বাস্তবানুগ উৎস সৌরশক্তি। আমাদের দেশে জমির স্বল্পতার কারণে বড় পরিসরে সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনে যাওয়া নিয়ন্ত্রিত রাখতে হচ্ছে (এক মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনে তিন একরের বেশি বাধাহীন জায়গা দরকার হয়)। এ দেশে বায়ুশক্তি ব্যবহার করে বিদ্যুৎ উৎপাদনের অনুকূল জায়গা খুবই কম। নতুন জলবিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের সুযোগও কার্যত অনুপস্থিত। ফলে বিদ্যমান প্রযুক্তির জীবাশ্ম জ্বালানি ব্যবহার করে বিদ্যুৎ উৎপাদন, পারমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদন ও বিদ্যুৎ আমদানির ওপর এ দেশের নির্ভরতা থাকছেই। এ কারণে বাসাবাড়ি, বাণিজ্যিক ভবন, শিল্পকারখানার ছাদে সৌরবিদ্যুৎ সিস্টেম বসিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদনের বিষয় বেশি গুরুত্ব পাচ্ছে।
সৌরশক্তি ও অন্যান্য উৎস (কাপ্তাই জলবিদ্যুৎ কেন্দ্রের ২৩০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের স্থাপিত ক্ষমতা, বায়ুশক্তিচালিত বিদ্যুৎ স্থাপনাসহ) মিলিয়ে দেশে মোট নবায়নযোগ্য বিদ্যুৎ উৎপাদনের স্থাপিত ক্ষমতা এখন প্রায় ৫৫৯ মেগাওয়াট (৩ শতাংশের কম)। ফলে বিদ্যুৎ উৎপাদনে জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর (জ্বালানি তেল, গ্যাস, কয়লা) নির্ভরতা ব্যাপক। সরকার সবার জন্য বিদ্যুৎ–সুবিধা নিশ্চিত করতে জ্বালানি বহুমুখী করার কৌশলকে গুরুত্ব দিচ্ছে। সে ধারাবাহিকতায় জীবাশ্ম জ্বালানির পাশাপাশি নবায়নযোগ্য জ্বালানি ব্যবহার করে বিদ্যুৎ উৎপাদনের উদ্যোগ বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। নবায়নযোগ্য জ্বালানি উৎপাদন এখন পর্যন্ত বেশ ব্যয়বহুল। বিদ্যমান প্রযুক্তিতে নবায়নযোগ্য জ্বালানি থেকে সুলভ মূল্যে বিদ্যুৎ সরবরাহে জার্মানির মতো (পৃথিবীর চতুর্থ বৃহৎ ও ইউরোপের বৃহত্তর অর্থনীতি) দেশও হিমশিম খাচ্ছে। বাংলাদেশের অধিকাংশ মানুষের বিদ্যুৎ ক্রয়ের সামর্থ্যের সীমাবদ্ধতা আছে। ফলে আমাদের জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর নির্ভরশীলতা দ্রুত কাটছে না। সরকার গ্রাহকদের নবায়নযোগ্য জ্বালানি থেকে উৎপাদিত বিদ্যুতের ব্যবহার বাড়াতে এবং গ্রিড থেকে বিদ্যুৎ কম ব্যবহার করতে উৎসাহিত করছে।
জার্মানির এখন প্রায় ৪০ শতাংশ বিদ্যুৎ নবায়নযোগ্য জ্বালানি থেকে উৎপাদন করার সামর্থ্য আছে। সম্প্রতি দেশটির এক কমিশন বলেছে, তাদের অন্তত ২০৩৮ সাল পর্যন্ত কয়লা থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন অব্যাহত রাখতে হবে। জার্মান অর্থনীতি ও তার বাণিজ্যিক প্রতিযোগিতা সামর্থ্যের সঙ্গে অধিক জ্বালানি ব্যবহারকারী শিল্প-বাণিজ্যের সম্পর্ক নিবিড়। দেশটি এখনো নিজেদের পারমাণবিক বিদ্যুৎ ব্যবহার করে, উপরন্তু প্রতিবেশী ফ্রান্স থেকে পারমাণবিক বিদ্যুৎ এবং পোল্যান্ড ও হাঙ্গেরি থেকে কয়লা বিদ্যুৎ আমদানি করে। কয়লাসহ জীবাশ্ম জ্বালানিনির্ভর বিদ্যুৎ উৎপাদন কমালে জার্মানির শিল্প–বাণিজ্যের প্রতিযোগিতা সামর্থ্য হুমকির মুখে পড়বে বলে সে দেশের ব্যবসায়ী নেতারা আশঙ্কা করেন। আরও বেশি নবায়নযোগ্য জ্বালানিনির্ভর বিদ্যুৎ উৎপাদন ও ব্যবহার করার ক্ষেত্রে জার্মানিকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের বাড়তি ব্যয় ও ইউনিটপ্রতি বিদ্যুতের বাড়তি মূল্যের চাপ মোকাবিলার বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে ভাবতে হয়। সে কারণে প্যারিস জলবায়ু চুক্তির অন্যতম উদ্যোক্তা হয়েও জার্মানি তার ঘোষিত ২০২০ সালের কার্বন নিঃসরণ লক্ষ্যমাত্রা পূরণে চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে। বিশ্ব জলবায়ু সম্মেলনে জার্মানি প্যারিস সম্মেলনের লক্ষ্য অর্জনে পিছিয়ে থাকলে ইউরোপের অন্য দেশগুলো তাদের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করতে পারবে এমন নিশ্চয়তা নেই।
বিশ্বায়নের সুদিন শেষ?....দেখতে আসুন আপডেট-খবর

বিশ্বায়নের সুদিন শেষ?....দেখতে আসুন আপডেট-খবর

পণ্য, ধারণা ও অর্থের কোনো সীমানা থাকবে না—এটাই বিশ্বায়নের মূল কথা। এই মূল ভিতের ওপর দাঁড়িয়েই তিন দশক ধরে বিশ্বের যাবতীয় কর্মকাণ্ড পরিচালিত হয়েছে। দেশের সঙ্গে দেশের, প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে প্রতিষ্ঠানের আন্তসংযোগের মূল ভিতটি গড়ে উঠেছে এই বিনিময়কে অবারিত করার মধ্য দিয়েই। ছোট-বড় সব দেশের মধ্যকার আন্তসম্পর্ক কী হবে, তা নির্ধারণে এটিই এখন পর্যন্ত সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ‘ফ্যাক্টর’ হিসেবে কাজ করছে। এমনকি একটি দেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিও আর এখন অভ্যন্তরীণ নয়। বিশ্বায়নের নানা সমীকরণ এই রাজনীতির নিয়ন্তা হয়ে বসে আছে।
তিন দশক ধরে দুরন্ত গতিতে ছুটে চলা বিশ্বায়নের চাকায় এখন যেন অনেকটাই ধীরগতি দেখা যাচ্ছে। এই ভুবনগ্রামের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের বিভিন্ন সূচকে একটা মন্দার আভাস বেশ প্রকট হয়ে উঠছে। এ প্রেক্ষাপটে দাঁড়িয়ে বিশ্বায়নের বর্তমান গতিপ্রকৃতিকে ‘স্লোবালাইজেশন’ হিসেবে বর্ণনা করেছে যুক্তরাজ্যভিত্তিক সাময়িকী ‘দ্য ইকোনমিস্ট’। ‘স্লোবালাইজেশন’ শব্দটি অবশ্য ২০১৫ সালে ডাচ অর্থনৈতিক বিশ্লেষক অ্যাডজেডস বাকাস প্রথম প্রয়োগ করেন বিশ্বায়নের গতি ও এর ফলে সৃষ্ট বিভিন্ন প্রতিক্রিয়া ব্যাখ্যা করতে গিয়ে। কথা হচ্ছে, ঠিক কী এমন ঘটল যে ১৯৯০-এর পর একমাত্র বিশ্বতত্ত্ব হিসেবে নিজের আসন পোক্ত করা ‘গ্লোবালাইজেশনে’র গতিপ্রকৃতি ব্যাখ্যায় এমন একটি শব্দ প্রয়োগ অবশ্যম্ভাবী হয়ে দাঁড়াল?
বিশ্বায়নের ধীরগতির বিষয়টি নতুন নয়। গত দশকের শেষ দিকে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতিতে দেখা দেওয়া মন্দা বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়ার পর থেকেই বিশ্বায়নের চাকার শক্তি নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। এবং এই প্রশ্নকে যৌক্তিক প্রমাণ করেই বৈশ্বিক অর্থনৈতিক বিভিন্ন সূচকে অবনমন দেখা দিতে শুরু করে। কিন্তু এই সময়ে এসে বিষয়টি এভাবে আলোচনায় আসার মূল কারণ ওই যুক্তরাষ্ট্রই। আরও ভালোভাবে বললে বলতে হয়, যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে শুরু হওয়া শুল্কযুদ্ধ তথা বাণিজ্যযুদ্ধের কথা।
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বেই বর্তমান বিশ্বায়িত কাঠামোটি গড়ে ওঠে, যা ১৯৯০ সালের পর তার একচ্ছত্র অধিকারে আসে। সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের মধ্য দিয়ে দ্বিমেরু বিশ্বকাঠামো ভেঙে এক মেরু কাঠামো যেদিন থেকে তার বিজয় ঘোষণা করল, সেদিন থেকে বিশ্বায়নের তত্ত্বই সবকিছুর নিয়ন্তা হয়ে উঠল। বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার (ডব্লিউটিও) মতো বিভিন্ন সংস্থার মাধ্যমে এই কাঠামো থিতু হলো তার সমস্ত শক্তি নিয়ে। পুঁজির বিশ্বে অবারিত হলো পণ্য ও অর্থ। আর্থিক খাত মুক্ত হলো। আর এই আপাতমুক্ত পরিসরকে উদাহরণ হিসেবে সামনে টেনে পুঁজিকেন্দ্র বিশ্বকে অভিধা দিল ‘বিশ্বগ্রাম’ বলে। যদিও এই বিশ্বগ্রামে সাধারণ মানুষ মুক্ত হলো না, পণ্য না হয়ে ওঠা পর্যন্ত। অভিবাসন, শরণার্থী সংকটসহ দেশে দেশে বিদ্যমান মানবিক বিভিন্ন সংকট এরই প্রমাণ বহন করে।
আপাত হোক আর প্রকৃতই হোক, বিশ্বায়ন একটি মুক্ত বিশ্বের কথা বলেছে। পুঁজির স্বার্থেই সে পণ্য ও বিনিয়োগকে মুক্ত করেছে। কিন্তু এখন এই ‘মুক্ত’ অভিধাটিও হারাতে বসেছে বিশ্বায়নের বিশ্ব। যে রক্ষণশীলতাকে এত দিন সমালোচনা করে এসেছে যুক্তরাষ্ট্র, সেই রক্ষণশীলতাকেই সে এখন তার লক্ষ্য করেছে। অন্তত চীনের সঙ্গে বাণিজ্যিক দ্বৈরথে যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান রক্ষণশীলই। অবশ্য যুক্তরাষ্ট্রের এই দিকবদলের ইঙ্গিত আগেই পাওয়া গিয়েছিল। ২০১৬ সালের মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের সময় বর্তমান প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যে প্রতিশ্রুতিগুলো দিয়েছিলেন, তা রক্ষণশীলই ছিল। তাই যুক্তরাষ্ট্রের এই দিকবদল আর যা-ই হোক হঠাৎ করে হয়েছে, তা বলা যাবে না।
ইকোনমিস্ট জানাচ্ছে, বিশ্বায়নের ফলে বৈশ্বিক বাণিজ্য ১৯৯০ সালের জিডিপির ৩৯ শতাংশ থেকে বেড়ে ২০১৮ সালের ৫৮ শতাংশে এসে পৌঁছেছে। একই সঙ্গে বেড়েছে দায় ও সম্পদের পরিমাণও। বেড়েছে অভিবাসনের হারও। ১৯৯০ সালে অভিবাসনের হার যেখানে ছিল ২ দশমিক ৯ শতাংশ, আজকে তা বেড়ে ৩ দশমিক ৩ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। এ পর্যন্ত ঠিকই আছে। কিন্তু যখন ইকোনমিস্ট জানায়, বৈশ্বিক জিডিপিতে বাণিজ্যের অবদান ২০০৮ সালেও ছিল ৬১ শতাংশ, তখন বিশ্বায়নের বর্তমান গতির দিকে তাকাতেই হয়। সাময়িকীটির দেওয়া তথ্যমতে, এক দেশ থেকে অন্য দেশে মধ্যম পর্যায়ের পণ্যের সরবরাহ উল্লেখযোগ্য হারে কমেছে। ২০০৮ সালের আগ পর্যন্ত এ ধরনের পণ্যের আমদানি-রপ্তানি ধারাবাহিকভাবে বাড়লেও ২০০৮ সালের পর এ ক্ষেত্রে ব্যাপক অবনমন হয়। বহুজাতিক কোম্পানিগুলোর অগ্রযাত্রা থমকে গেছে। বৈশ্বিক মুনাফায় ২০০৮ সালে এই ধরনের প্রতিষ্ঠানের অংশ ৩৩ শতাংশ হলেও বর্তমানে তা ৩১ শতাংশে নেমে এসেছে। সরাসরি বিদেশি বিনিয়োগের (এফডিআই) পরিমাণ ২০০৭ সালে ছিল সাড়ে ৩ শতাংশ। ২০১৭ সালে এ হার ১ দশমিক ৩ শতাংশে নেমে এসেছে। আন্তর্দেশীয় ব্যাংকগুলোর ঋণের পরিমাণ ২০০৬ সালের জিডিপির ৬০ শতাংশ থেকে নেমে বর্তমানে প্রায় ৩৬ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। পুঁজিপ্রবাহ ২০০৭ সালের ৭ শতাংশ থেকে কমে বর্তমানে দেড় শতাংশে দাঁড়িয়েছে।
গবেষণা প্রতিষ্ঠান ম্যাককিনসের তথ্যমতে, এত সব অবনমনের ভিড়ে গত এক দশকে আন্তর্জাতিক অভিবাসন কিছুটা বেড়েছে। আন্তর্জাতিক পার্সেল ও ফ্লাইটের সংখ্যা দ্রুত বাড়ছে। আর তথ্যপ্রবাহ এক দশক আগের চেয়ে বেড়েছে ৬৪ গুণ। কিন্তু এগুলো বিশ্বায়নের ধীরগতিতে কোনো ত্বরকের ভূমিকা নিতে পারছে না।
২০১৫ সালে প্রকাশিত আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) এক গবেষণায় বিশ্বায়নের চাকায় এই উল্টো টানের কারণ হিসেবে বৈশ্বিক বাণিজ্যের পরিসর আঞ্চলিক পরিসরে আটকে যাওয়াকে চিহ্নিত করা হয়েছে। ‘দ্য গ্লোবাল ট্রেড স্লোডাউন: সাইক্লিক্যাল অর স্ট্রাকচারাল?’ শীর্ষক ওই গবেষণার উপসংহারে গবেষক ক্রিস্টিনা কন্সটানটিনেস্কু ও আদিত্য মাতু বলেছেন, ‘বৈশ্বিকভাবেই বিভিন্ন পণ্যের সরবরাহ নেটওয়ার্ক সংকুচিত হয়ে যাওয়ায় বৈশ্বিক বাণিজ্যে ধীরগতি দেখা যাচ্ছে।’ ওই গবেষণায় এই ধীরগতির কারণ হিসেবে চীনের বাণিজ্য নীতিকে কারণ হিসেবে দেখানো হয়েছে।
যুক্তরাজ্যে ৯৯৯–এর এ কী কাণ্ড!...দেখতে আসুন আপডেট-খবর

যুক্তরাজ্যে ৯৯৯–এর এ কী কাণ্ড!...দেখতে আসুন আপডেট-খবর

দ্রুত সেবা নিশ্চিত করায় যুক্তরাজ্যের জরুরি পরিষেবার নম্বর ৯৯৯-এর সুনাম অনেক। কিন্তু দেশটির ডেভন কাউন্টির বন্দরনগরী এক্সমুথের একটি পরিবারের ক্ষেত্রে ঘটেছে ঠিক উল্টোটাই। পড়ে গিয়ে গুরুতর আহত হওয়া এক বৃদ্ধার পরিবার ৯৯৯-এ ফোন করে অ্যাম্বুলেন্সের দেখা পেয়েছে প্রায় সাত ঘণ্টা পর। এর আগেই বৃদ্ধার ছেলে লন্ডন থেকে ২০০ কিলোমিটার পাড়ি দিয়ে বাড়ি পৌঁছে যান।
ঘটনাটি ঘটেছে গত শনিবার। এক্সমুথের বাসিন্দা মার্ক ক্লেমেন্টসের বৃদ্ধ মা (৭৭) গত শনিবার সকাল নয়টার দিকে পড়ে গিয়ে গুরুতর আহত হন। কোমর ভেঙে যায় তাঁর। ক্লেমেন্টস তখন লন্ডনে। দুর্ঘটনার খবর পেয়েই তিনি রওনা হন। বাড়ি পৌঁছাতে তিনি বাস, মেট্রো ও দুটি ট্রেন পরিবর্তন করেন। সময় লেগেছে ৩ ঘণ্টা ৪০ মিনিট। 
ক্লেমেন্টস বলেন, ‘মা আহত হওয়ার পর আমার আত্মীয়রা ৯৯৯-এ ছয়বার ফোন করেন। কিন্তু সাত ঘণ্টার আগে কোনো অ্যাম্বুলেন্সের দেখা পাইনি আমরা। আমি বাড়ি পৌঁছানোর ৫০ মিনিট পর অ্যাম্বুলেন্স পৌঁছায়। তখন বেলা ৩টা বেজে ১০ মিনিট।’
সাউথ ওয়েস্টার্ন অ্যাম্বুলেন্স সার্ভিসের (এসডব্লিউএএসএফটি) লোকজন যখন ক্লেমেন্টসদের বাড়িতে পৌঁছান, তাঁরাও রোগীর অবস্থা দেখে মর্মাহত হন। দুঃখ প্রকাশও করেন তাঁরা।
কর্তৃপক্ষের যুক্তি, চলতি সপ্তাহে অ্যাম্বুলেন্সের চাহিদা বেড়ে গেছে। তাঁরা কুলিয়ে উঠতে পারছেন না। দেরি হওয়ার কারণ সম্পর্কে তাঁরা বলেন, আরও গুরুতর রোগীকে অগ্রাধিকার দিতে গিয়ে তাঁরা সঠিক সময়ে পৌঁছাতে পারেননি।
সরকারি হিসাব অনুযায়ী, জরুরি রোগীদের (ক্যাটাগরি-১) ক্ষেত্রে সাউথ ওয়েস্টার্নের অ্যাম্বুলেন্স পৌঁছানোর গড় সময় গত বছর ছিল ৭ মিনিট ২৬ সেকেন্ড। ক্লেমেন্টসের মাকে তাঁরা ক্যাটাগরি-৪ (কম জরুরি) ভেবেছিলেন।
প্রিয়াকে নিয়ে ছি ছি...দেখতে আসুন আপডেট-খবর

প্রিয়াকে নিয়ে ছি ছি...দেখতে আসুন আপডেট-খবর

রাতারাতি তারকা বনে গিয়ে বেশ বিপদেই পড়েছেন মালায়ালম অভিনেত্রী প্রিয়া প্রকাশ ওয়ারিয়র। তাঁর এক চোখের ইশারায় ইন্টারনেট দুনিয়া দুলে উঠেছিল রোমাঞ্চে। এবার চুম্বনদৃশ্যের জন্য ইন্টারনেটেই বেদম বকা খাচ্ছেন সেই প্রিয়া।
প্রথম ছবি ‘উরু আডার লাভ’-এর মুক্তির দিন যতই এগিয়ে আসছে, ততই প্রিয়া প্রকাশকে নিয়ে আলোচনা উঠছে তুঙ্গে। এবারে তিনি হয়েছেন সমালোচিত। সম্প্রতি মুক্তি পাওয়া ছবির টিজারটি পছন্দ করেননি ইন্টারনেটবাসী। ফলে নিন্দায় ভেসে যাচ্ছেন এই নবাগত নায়িকা। তাঁকে নিয়ে কেবল ছি ছি শোনা যাচ্ছে ইন্টারনেটজুড়ে।

গত বছর ইন্টারনেটে ভাইরাল হয় ‘উরু আডার লাভ’ ছবির একটি ক্লিপ। যেখানে প্রিয়ার এক চোখের ইশারার একটি দৃশ্য দুনিয়া মাতিয়ে দিয়েছিল। সেই থেকে তিনি এমন আলোচিত হয়েছিলেন যে, প্রথম ছবি মুক্তির আগেই অনেকগুলো ছবির প্রস্তাব পেয়ে যান। ভাইরাল হওয়া ওই ক্লিপের কারণে সামাজিক মিডিয়ায় লাখখানেক অনুসারী বেড়ে যায় তাঁর। এবার রীতিমতো বকা খেতে হচ্ছে তাঁকে।
‘উরু আডার লাভ’ ছবির টিজারের একটি দৃশ্যটাইমস নাউ নিউজের খবরে বলা হয়েছে, সম্প্রতি ভাইরাল হওয়া দৃশ্যটি ছবির অন্যতম অভিনয়শিল্পী রোশন আবদুল রাহুফের সঙ্গে প্রিয়ার চুম্বনের দৃশ্য। এ দৃশ্য মেনে নিতে পারেননি ভক্তরা। প্রিয়াকে উল্লেখ করে অনেকে বলছেন, ‘আজকাল ছেলেমেয়েরা তাহলে স্কুলেই চুমু খেতে শুরু করবে?’ স্কুলপড়ুয়া শিক্ষার্থীদের দিয়ে এ রকম চরিত্রে অভিনয় করিয়ে ভারতীয় মূল্যবোধ ধ্বংসে কাজ করছেন ছবির পরিচালক ও অভিনয়শিল্পীরা। সম্প্রতি ভাইরাল হওয়া টিজারটির বিরুদ্ধে এ অভিযোগ উঠেছে। ভিডিওটি ৪৪ হাজারের বেশি ডিজলাইক পেয়েছে মাত্র ২২ হাজার লাইকের বিপরীতে।

প্রিয়া প্রকাশ অভিনীত ‘উরু আডার লাভ’ ছবিটি মুক্তি পাবে ফেব্রুয়ারির ১৪ তারিখ। মালায়ালম ছাড়াও তেলেগু, কান্নাড়া ভাষাতেও ছবিটি মুক্তি পাবে। এমনকি ছবির একটি হিন্দি সংস্করণও মুক্তি পেতে পারে। এ ছাড়া শিগগির বলিউডে অভিষেক হতে যাচ্ছে প্রিয়ার। ‘শ্রীদেবী বাংলো’ নামে একটি ছবিতে অভিনয় করেছেন তিনি। সেই ছবি নিয়েও আলোচনার কমতি নেই। ছবির প্রথম টিজার মুক্তির পরেই ছবির সব শিল্পী ও কলাকুশলীদের বিরুদ্ধে উকিল নোটিশ পাঠিয়েছিলেন প্রয়াত অভিনেত্রী শ্রীদেবীর স্বামী বনি কাপুর।