এক্সক্লুসিভ লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
এক্সক্লুসিভ লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

মঙ্গলবার, ৯ জুন, ২০২০

এক দিনে করোনায় সর্বোচ্চ মৃত্যু ও শনাক্ত

এক দিনে করোনায় সর্বোচ্চ মৃত্যু ও শনাক্ত

এক দিনে করোনায় সর্বোচ্চ মৃত্যু ও শনাক্ত



দেশে এক দিনে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে সর্বোচ্চসংখ্যক শনাক্ত ও মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। এই প্রথমবারের মতো এক দিনে শনাক্তের সংখ্যা তিন হাজার ছাড়িয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় শনাক্ত হয়েছেন ৩ হাজার ১৭১ জন এবং মৃত্যু হয়েছে ৪৫ জনের। এতে দেশে ৭০ হাজার ছাড়াল শনাক্তের সংখ্যা।

দেশে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ পরিস্থিতি নিয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত অনলাইন ব্রিফিংয়ে আজ মঙ্গলবার এমন তথ্য জানানো হয়। ব্রিফিংয়ে বলা হয়, সব মিলে দেশে করোনা শনাক্ত হয়েছেন ৭১ হাজার ৬৭৫ জনের। আর মৃত্যু হয়েছে ৯৭৫ জনের।



গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন ৭৭৭ জন। এ নিয়ে সর্বমোট ১৫ হাজার ৩৩৭ জন সুস্থ হয়েছেন। গতকাল সোমবার দেশে করোনায় সংক্রমিত ২ হাজার ৭৩৫ জন শনাক্ত হওয়ার কথা জানানো হয়েছিল। মারা গিয়েছিলেন ৪২ জন।



ব্রিফিংয়ের তথ্যমতে, গত ২৪ ঘণ্টায় ১৪ হাজার ৬৬৪ জনের জনের করোনা পরীক্ষা করা হয়। এর আগের ২৪ ঘণ্টায় ১২ হাজার ৯৪৪ জনের করোনা পরীক্ষা করা হয়েছিল। এ পর্যন্ত পরীক্ষা হয়েছে ৪ লাখ ২৫ হাজার ৯৯৫টি নমুনা।

গত ৮ মার্চ দেশে প্রথম করোনায় সংক্রমিত ব্যক্তি শনাক্তের ঘোষণা আসে। আর ১৮ মার্চ প্রথম মৃত্যুর ঘটনা ঘটে।

করোনার ঝুঁকি এড়াতে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা ও স্বাস্থ্যবিধি মানতে সবাইকে অনুরোধ করেছেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক নাসিমা সুলতানা। অনলাইন ব্রিফিংয়ে তিনি বলেন, কোভিড-১৯ চিকিৎসায় অক্সিজেন খুবই গুরুত্বপূর্ণ। অনেকেই বাসায় অক্সিজেন সিলিন্ডার কিনে রাখছেন, যা অনভিপ্রেত। অক্সিজেন থেরাপি কারিগরি বিষয়, নিজে নিজে দিতে গেলে অনেক ক্ষেত্রে এটি ক্ষতিকর হতে পারে। তাই অযথা এটি কিনে মজুত করবেন না। চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া অক্সিজেন দেওয়া উচিত নয়।

রবিবার, ১০ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯

বড় ধরনের দরপতন, বেড়েছে লেনদেন...দেখতে আসুন আপডেট-খবর

বড় ধরনের দরপতন, বেড়েছে লেনদেন...দেখতে আসুন আপডেট-খবর

বড় ধরনের দরপতনের মধ্য দিয়ে শেষ হয়েছে দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) লেনদেন। তবে গত কার্যদিবসের (বৃহস্পতিবার) তুলনায় বেড়েছে লেনদেনের পরিমাণ। আজ রোববার সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবসে ডিএসইএক্স কমেছে ৪৮ পয়েন্ট, অবস্থান করছে ৫ হাজার ৭৬৩ পয়েন্টে। গত কার্যদিবসের তুলনায় লেনদেন বেড়েছে ৪০ কোটি টাকা।
ডিএসই সূত্রে জানা গেছে, আজ মোট লেনদেন হয়েছে ৮১২ কোটি ৭৭ লাখ টাকা। হাতবদল হওয়া শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ডের মধ্যে দর বেড়েছে ৭২টির, কমেছে ২৪৭টির আর দর অপরিবর্তিত আছে ২৯টির। গত কার্যদিবসে লেনদেন শেষে ডিএসইএক্স সূচক বাড়ে ২৫ পয়েন্ট। মোট লেনদেন হয় ৭৭২ কোটি ৯৭ লাখ টাকা।
আজ লেনদেনের শীর্ষে যে ১০ কোম্পানি রয়েছে, সেগুলো হলো ইউনাইটেড পাওয়ার জেনারেশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি, মুন্নু সিরামিকস, ফরচুন, বাংলাদেশ সাবমেরিন কেবল কোম্পানি লিমিটেড, লিগ্যাসি ফুটওয়্যার, জেনেক্স ইনফোস, মুন্নু স্টাফলার, পাওয়ার গ্রিড, সিঙ্গারবিডি ও সোনার বাংলা ইনস্যুরেন্স।

দর বাড়ার শীর্ষে যে ১০ কোম্পানি, সেগুলো হলো ফরচুন, জেএমআই সিরিঞ্জেস, স্টাইল ক্র্যাফট, মারিকো, এরামিট, রেনেটা, মুন্নু সিরামিকস, আইসিবিএএমসি সেকেন্ড মিউচুয়াল ফান্ড, ন্যাশনাল লাইফ ইনস্যুরেন্স ও ফাইন ফুডস।
দর কমার শীর্ষে যে ১০ কোম্পানি, সেগুলো হলো বাংলাদেশ ন্যাশনাল ইনস্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেড, সেন্ট্রাল ইনস্যুরেন্স, ফেডারেল ইনস্যুরেন্স, গ্লোবাল ইনস্যুরেন্স, অগ্রণী ইনস্যুরেন্স, কন্টিনেন্টাল ইনস্যুরেন্স, জেনেক্স ইনফোস, ইস্টল্যান্ড, জনতা ইনস্যুরেন্স ও কর্ণফুলী।
অন্যদিকে, চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) সার্বিক সূচক সিএএসপিআই ১৮৫ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে ১৭ হাজার ৫৯৬ পয়েন্টে। লেনদেনে অংশ নেওয়া কোম্পানি ও মিউচুয়াল ফান্ডগুলোর মধ্যে দর বেড়েছে ৬৬টির, কমেছে ১৮৮টির, অপরিবর্তিত রয়েছে ২৩টির।
তাঁর নাম বলতেই এক বছর কেটে যায়!....দেখতে আসুন আপডেট-খবর

তাঁর নাম বলতেই এক বছর কেটে যায়!....দেখতে আসুন আপডেট-খবর


তাঁর নাম বলতে গেলে বিপত্তি আছে! সংগৃহীত ছবিতাঁর নাম বলতে গেলে বিপত্তি আছে! সংগৃহীত ছবি২০ বছর বয়সী এক স্ট্রাইকার আপাতত ট্রায়াল দিচ্ছেন আর্জেন্টিনার ক্লাব সান লরেঞ্জোতে। কোচ হোর্হে আলমিরনের ব্যক্তিগত অনুরোধ বলেই কলম্বিয়া থেকে ডেকে আনা হয়েছে এই স্ট্রাইকারকে। কিন্তু তাঁর নাম ধরে ডাকতে গেলেই বিপত্তি। এমনই সে নাম, তাঁকে পাস দেওয়ার জন্য ডাকতে ডাকতেই প্রতিপক্ষ বল কেড়ে নিতে পারে!
তাঁর পারিবারিক উপাধিটা নতুন কিছু নয়। স্প্যানিশ বা পর্তুগিজ ভাষাভাষীদের মধ্যে খুবই পরিচিত এক নাম, গঞ্জালেজ। কিন্তু তাঁর প্রথম নামটাই ঝামেলা বাধাচ্ছে। নামের ইংরেজি অক্ষরগুলো যখন পাশাপাশি লেখা হয়, মনে হয় মাত্রই লিখতে শিখেছে কেমন কোনো শিশু খেয়ালখুশি মতো একটানা কিছু অক্ষর লিখে গেছে। বলেই ফেলা যাক নামটি, ইএফএমএএমজেজেএএসওএনডি! কাছাকাছি বাংলা উচ্চারণযোগ্য খুশি মুখে আনতে চাইলে, এফম্যাম্‌হাসন্দ!
স্প্যানিশ ভাষাভাষীদের কাছেও নামটি অদ্ভুত। তবে তারা অন্তত এমন নামের অর্থ খুঁজে পাবেন। কারণ গঞ্জালেজের এই নাম দিয়ে আসলে পুরো এক বছরের কথা বলা হয়েছে। স্প্যানিশ ভাষায় বছরের ১২টি মাসের প্রথম অক্ষর বেছে নিয়েই এ নাম দেওয়া হয়েছে গঞ্জালেজকে। প্রথম মাস এনেরো থেকে ই, ফেব্রো থেকে এফ, মার্জো থেকে এম, এব্রিল থেকে এ, মায়ো থেকে নেওয়া হয়েছে এম। জুনিও ও জুলিও থেকে দুটি জে, অগস্তো থেকে এসেছে এ, সেপ্টিয়েম্ব্রে থেকে এস। অক্টুব্রে থেকে ও, নভিয়েম্ব্রে থেকে এন এবং ডিসিয়েম্ব্রে থেকে এসেছে ডি। এসব মিলিয়েই ইএফএমএএমজেজেএএসওএনডি বা এফম্যাম্‌হাসন্দ। যদিও অন্যদের সুবিধার্থে হাসন্দ নামেই পরিচয় দেন।
১৮ বছর বয়সেই কলম্বিয়াতে আলো ছড়িয়েছেন হাসন্দ। কোচ হোর্হে আলমিরনের অধীনে অ্যাটলেটিকো ন্যাসিওনালের হয়ে গ্রেমিওর মতো দলের বিপক্ষে গোলও করেছেন। কোচ আলমিরন অ্যাটলেটিকো ছেড়ে এই নভেম্বরেই সান লরেঞ্জোর দায়িত্ব নিয়েছেন। কোচের ডাকে বুয়েনেস এইরেসে হাজির হয়েছেন হাসন্দ। তবে বানান নয়, পায়ের কাজেই মানুষের কাছে নিজের নামটা স্মরণীয় করে রাখতে চাইবেন হাসন্দ।
বাংলাদেশে ৩৬% মোবাইল ম্যালওয়্যার আক্রান্ত....দেখতে আসুন আপডেট-খবর

বাংলাদেশে ৩৬% মোবাইল ম্যালওয়্যার আক্রান্ত....দেখতে আসুন আপডেট-খবর

ম্যালওয়্যার আক্রমণের দিক থেকে বাংলাদেশ সবচেয়ে ঝুঁকিতে। ছবি: কমপারিটেক।
দেশের মোট মোবাইলের ৩৫ দশমিক ৯১ ও পিসির ১৯ দশমিক ৭ শতাংশ ম্যালওয়্যার বা ক্ষতিকর প্রোগ্রামে আক্রান্ত। সে হিসাবে বিশ্বের ৬০ টি দেশের মধ্যে বাজে সাইবার নিরাপত্তার দেশের তালিকায় বাংলাদেশের অবস্থান ৬ নম্বরে। ম্যালওয়্যারের আক্রমণ, সাইবার নিরাপত্তা প্রস্তুতি, হালনাগাদ সাইবার নিরাপত্তা সংক্রান্ত আইন বিবেচনায় এ গবেষণা করেছেন যুক্তরাজ্যের গবেষণা প্রতিষ্ঠান কমপারিটেক।
মোবাইল ফোন আমদানিকারকদের সংগঠন বাংলাদেশ মোবাইল ফোন ইমপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিএমপিআইএ) হিসাব অনুযায়ী, দেশে বর্তমানে ৯ কোটি মোবাইল ফোন সক্রিয় রয়েছে। ১৫ কোটি সিম সক্রিয় রয়েছে। মোট ফোনের মধ্যে অ্যান্ড্রয়েড ব্যবহারকারী ২৫–৩০ শতাংশ। বাংলাদেশ কম্পিউটার বিক্রেতাদের সূত্রে জানা গেছে, দেশে বর্তমানে প্রতি বছর ১ লাখ ২০ হাজার ইউনিট পিসি বিক্রি হচ্ছে।
কমপারিটেকের তালিকায় বাংলাদেশের স্কোর ৪৭ দশমিক ২১। বাংলাদেশের পেছনে রয়েছে কেবল উজবেকিস্তান, তানজানিয়া, ভিয়েতনাম,ইন্দোনেশিয়া ও আলজেরিয়া। সাইবার নিরাপত্তার ক্ষেত্রে সবচেয়ে বাজে অবস্থা আলজেরিয়ার। তাদের স্কোর ৫৫ দশমিক ৭৫। তালিকায় ৪৭ দশমিক ১০ পয়েন্ট নিয়ে বাংলাদেশের চেয়ে একধাপ এগিয়ে পাকিস্তান। ভারতের অবস্থান ১৫ তম। ভারতের স্কোর ৩৯ দশমিক ৩০। এ তালিকায় যে দেশের স্কোর সবচেয়ে কম সে দেশ সাইবার নিরাপত্তায় তত বেশি শক্তিশালী। তালিকায় মাত্র ৮ দশমিক ৮ স্কোর নিয়ে সাইবার নিরাপত্তার দিক থেকে শীর্ষে রয়েছে জাপান। এরপরের অবস্থান যথাক্রমে ফ্রান্স, কানাডা, ডেনমার্ক, যুক্তরাষ্ট্র, আয়ারল্যান্ড, সুইডেন, যুক্তরাজ্য, নেদারল্যান্ডস, সিঙ্গাপুর ও অস্ট্রেলিয়া।

কমপারিটেক তাদের প্রতিবেদনে যে বিষয়গুলো বিবেচনা করেছে, সেখানে বাংলাদেশের সাইবার নিরাপত্তার ক্ষেত্রে বাজে অবস্থানে জন্য মোবাইল ম্যালওয়্যার ও কম্পিউটার ম্যালওয়্যারের বিষয়টি বেশি গুরুত্ব পেয়েছে। বিশ্বের অন্যান্য দেশের তুলনায় কিছু কিছু ক্ষেত্রে ব্যাপক পার্থক্য রয়েছে। এর মধ্যে ম্যালওয়্যারের আক্রমণের হার বা সাইবার নিরাপত্তা সংক্রান্ত হালনাগাদ আইন রয়েছে। এ ছাড়া সাইবার নিরাপত্তা প্রস্তুতির বিষয়টি বিবেচনা করতে ইন্টারন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন ইউনিয়নের (আইটিইউ) ২০১৭ সালের গ্লোবাল সাইবার সিকিউরিটি ইনডেক্স (https://www.itu.int/dms_pub/itu-d/opb/str/D-STR-GCI.01-2017-R1-PDF-E.pdf) বিবেচনা করা হয়েছে। ওই তালিকায় বিশ্বে বাংলাদেশর অবস্থান ৫৩।
কমপারিটেকের প্রতিবেদন অনুযায়ী, বাংলাদেশে আর্থিক খাতে আক্রমণ ১ দশমিক ৩ শতাংশ, আইওটি বা টেলনেট ক্ষেত্রে আক্রমণ দশমিক ৩৮ শতাংশ, ক্রিপটোমাইনারসের আক্রমণ ৩ দশমিক ৩১ শতাংশ।
কমপারিটেক তাদের প্রতিবেদনে আরও বলেছে, কয়েকটি দেশের কিছু কিছু ক্ষেত্রে দুর্বলতা ও কিছু ক্ষেত্রে শক্ত অবস্থান রয়েছে। বাংলাদেশসহ প্রতিটির দেশে সাইবার নিরাপত্তার ক্ষেত্রে আরও উন্নতি করার সুযোগ রয়েছে। কম্পিউটার ও মোবাইল খাতে আরও নিরাপত্তা বাড়ানো, সাইবার নিরাপত্তা আইন শক্তিশালী করার মতো বিষয়গুলোতে গুরুত্ব দিতে হবে।
সৌরবিদ্যুতের উদ্বৃত্ত জাতীয় গ্রিডে.....দেখতে আসুন আপডেট-খবর

সৌরবিদ্যুতের উদ্বৃত্ত জাতীয় গ্রিডে.....দেখতে আসুন আপডেট-খবর


প্রথম আলো ফাইল ছবি
বাংলাদেশের বিদ্যুৎ বিতরণ কোম্পানিগুলো সম্প্রতি প্রায় ৩৫টি গ্রাহক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ‘নেট মিটারিং গাইডলাইন ২০১৮’–এর আওতায় চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। বাংলাদেশ সরকারের বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় ২০১৮ সালের জুলাই মাসে ওই গাইডলাইন জারি করেছিল। স্বাক্ষরিত চুক্তির আওতায় প্রায় পাঁচ মেগাওয়াট ক্ষমতার বিদ্যুৎশক্তি নবায়নযোগ্য উৎস থেকে গ্রিডে যুক্ত হবে বলে আশা করা হচ্ছে। এ–জাতীয় চুক্তি আরও অনেক হবে বলে আশা করা যায়। চুক্তির অধীনে যোগ্য গ্রাহক নিজ মালিকানার গৃহস্থালি, বাণিজ্যিক বা শিল্পকারখানার ছাদ বা উন্মুক্ত স্থানে স্থাপিত সৌরবিদ্যুৎ প্যানেলে উৎপাদিত উদ্বৃত্ত বিদ্যুৎ (গ্রাহক নিজে ব্যবহার করার পর বাড়তি বিদ্যুৎ) বিতরণ কোম্পানির কাছে (বিদ্যুৎ গ্রিডে) নির্ধারিত মূল্যে বিক্রি করবেন। এ ক্ষেত্রে গ্রাহকের সরবরাহকৃত নবায়নযোগ্য বিদ্যুতের মূল্য পরিশোধ করতে বিতরণ কোম্পানি গ্রাহকের গ্রিড থেকে নেওয়া বিদ্যুৎ বিলের সঙ্গে মূল্য সমন্বয় করবে। ফলে নবায়নযোগ্য জ্বালানি (যেমন সূর্যের আলো) উৎস থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনে উৎসাহ সৃষ্টি হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
প্রকাশিত গাইডলাইন অনুযায়ী, এ পদ্ধতি ব্যবহার করে গ্রাহক নিজের অনুমোদিত লোডের ৭০ শতাংশ পর্যন্ত জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করতে পারবেন। নেট মিটারিং পদ্ধতির আওতায় প্রাথমিকভাবে সর্বোচ্চ এসি আউটপুট তিন মেগাওয়াটে সীমিত রাখা হয়েছে (সৌরবিদ্যুৎ প্যানেল থেকে ‘ডিসি’ বা ‘ডাইরেক্ট কারেন্ট’ উৎপাদিত হয়, যা গ্রিডে সরবরাহের আগে ইনভার্টারের মাধ্যমে এসি বিদ্যুতে রূপান্তর করা হয়)। গ্রাহকের আমদানিকৃত (গ্রিড থেকে নেওয়া) বিদ্যুৎশক্তি তার রপ্তানিকৃত (নবায়নযোগ্য জ্বালানি দিয়ে উৎপাদিত বিদ্যুতের গ্রিডে সরবরাহকৃত অংশ) বিদ্যুৎশক্তি সমান হলে গ্রাহকপ্রতি বিলিং সময়কালে কেবল ডিমান্ড চার্জ ও অন্যান্য নির্ধারিত চার্জ (সাধারণ গ্রাহকের ওপর সচরাচর প্রযোজ্য) পরিশোধ করেন। কোনো বিলিং সময়কালে নেট মিটারিং পদ্ধতির আওতায় গ্রাহকের বিদ্যুৎ রপ্তানির পরিমাণ আমদানির চেয়ে বেশি হলে তা ক্রেডিট হিসেবে পরবর্তী বিলের সঙ্গে সমন্বয়ের ব্যবস্থা থাকে। নির্দিষ্ট মিটার স্থাপনের মাধ্যমে গ্রাহক কী পরিমাণ নবায়নযোগ্য জ্বালানি উৎপাদন করছেন, গ্রিড থেকে কত বিদ্যুৎ ব্যবহার করছেন, কী পরিমাণ উদ্বৃত্ত বিদ্যুৎ গ্রিডে সরবরাহ করছেন, তা নিয়মিত পরিবীক্ষণের ব্যবস্থা সিস্টেমে সংযুক্ত করা হয়। বাড়ি, বাণিজ্যিক স্থাপনা, শিল্পকারখানার ছাদ বা উন্মুক্ত স্থানে সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন করে নিজে ব্যবহার ও উদ্বৃত্ত অংশ গ্রিডে সরবরাহের ব্যবস্থা পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে দীর্ঘদিন বেশ চালু আছে। বিলম্বে হলেও আমাদের দেশে এর যাত্রা শুরু হলো।
২০২০ সালের মধ্যে মোট উৎপাদিত বিদ্যুতের ১০ শতাংশ নবায়নযোগ্য জ্বালানি উৎস থেকে উৎপাদন ও সরবরাহ করার লক্ষ্যে বাংলাদেশ সরকার কাজ করছে। এখন পর্যন্ত গ্রিড বিদ্যুতের আওতার বাইরে প্রায় ২ হাজার ৮০০ মেগাওয়াটের ক্যাপটিভ বিদ্যুৎসহ মোট ২০ হাজার ৪০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎশক্তি উৎপাদনের সামর্থ্য তৈরি হয়েছে (ভারত থেকে আমদানি করা ১ হাজার ১৬০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎসহ। দেশে গ্রিড সংযোগের বাইরে মোট সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা এখন পর্যন্ত প্রায় ৩২৬ মেগাওয়াট।
ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে বাংলাদেশে নবায়নযোগ্য জ্বালানির সবচেয়ে বাস্তবানুগ উৎস সৌরশক্তি। আমাদের দেশে জমির স্বল্পতার কারণে বড় পরিসরে সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনে যাওয়া নিয়ন্ত্রিত রাখতে হচ্ছে (এক মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনে তিন একরের বেশি বাধাহীন জায়গা দরকার হয়)। এ দেশে বায়ুশক্তি ব্যবহার করে বিদ্যুৎ উৎপাদনের অনুকূল জায়গা খুবই কম। নতুন জলবিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের সুযোগও কার্যত অনুপস্থিত। ফলে বিদ্যমান প্রযুক্তির জীবাশ্ম জ্বালানি ব্যবহার করে বিদ্যুৎ উৎপাদন, পারমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদন ও বিদ্যুৎ আমদানির ওপর এ দেশের নির্ভরতা থাকছেই। এ কারণে বাসাবাড়ি, বাণিজ্যিক ভবন, শিল্পকারখানার ছাদে সৌরবিদ্যুৎ সিস্টেম বসিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদনের বিষয় বেশি গুরুত্ব পাচ্ছে।
সৌরশক্তি ও অন্যান্য উৎস (কাপ্তাই জলবিদ্যুৎ কেন্দ্রের ২৩০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের স্থাপিত ক্ষমতা, বায়ুশক্তিচালিত বিদ্যুৎ স্থাপনাসহ) মিলিয়ে দেশে মোট নবায়নযোগ্য বিদ্যুৎ উৎপাদনের স্থাপিত ক্ষমতা এখন প্রায় ৫৫৯ মেগাওয়াট (৩ শতাংশের কম)। ফলে বিদ্যুৎ উৎপাদনে জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর (জ্বালানি তেল, গ্যাস, কয়লা) নির্ভরতা ব্যাপক। সরকার সবার জন্য বিদ্যুৎ–সুবিধা নিশ্চিত করতে জ্বালানি বহুমুখী করার কৌশলকে গুরুত্ব দিচ্ছে। সে ধারাবাহিকতায় জীবাশ্ম জ্বালানির পাশাপাশি নবায়নযোগ্য জ্বালানি ব্যবহার করে বিদ্যুৎ উৎপাদনের উদ্যোগ বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। নবায়নযোগ্য জ্বালানি উৎপাদন এখন পর্যন্ত বেশ ব্যয়বহুল। বিদ্যমান প্রযুক্তিতে নবায়নযোগ্য জ্বালানি থেকে সুলভ মূল্যে বিদ্যুৎ সরবরাহে জার্মানির মতো (পৃথিবীর চতুর্থ বৃহৎ ও ইউরোপের বৃহত্তর অর্থনীতি) দেশও হিমশিম খাচ্ছে। বাংলাদেশের অধিকাংশ মানুষের বিদ্যুৎ ক্রয়ের সামর্থ্যের সীমাবদ্ধতা আছে। ফলে আমাদের জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর নির্ভরশীলতা দ্রুত কাটছে না। সরকার গ্রাহকদের নবায়নযোগ্য জ্বালানি থেকে উৎপাদিত বিদ্যুতের ব্যবহার বাড়াতে এবং গ্রিড থেকে বিদ্যুৎ কম ব্যবহার করতে উৎসাহিত করছে।
জার্মানির এখন প্রায় ৪০ শতাংশ বিদ্যুৎ নবায়নযোগ্য জ্বালানি থেকে উৎপাদন করার সামর্থ্য আছে। সম্প্রতি দেশটির এক কমিশন বলেছে, তাদের অন্তত ২০৩৮ সাল পর্যন্ত কয়লা থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন অব্যাহত রাখতে হবে। জার্মান অর্থনীতি ও তার বাণিজ্যিক প্রতিযোগিতা সামর্থ্যের সঙ্গে অধিক জ্বালানি ব্যবহারকারী শিল্প-বাণিজ্যের সম্পর্ক নিবিড়। দেশটি এখনো নিজেদের পারমাণবিক বিদ্যুৎ ব্যবহার করে, উপরন্তু প্রতিবেশী ফ্রান্স থেকে পারমাণবিক বিদ্যুৎ এবং পোল্যান্ড ও হাঙ্গেরি থেকে কয়লা বিদ্যুৎ আমদানি করে। কয়লাসহ জীবাশ্ম জ্বালানিনির্ভর বিদ্যুৎ উৎপাদন কমালে জার্মানির শিল্প–বাণিজ্যের প্রতিযোগিতা সামর্থ্য হুমকির মুখে পড়বে বলে সে দেশের ব্যবসায়ী নেতারা আশঙ্কা করেন। আরও বেশি নবায়নযোগ্য জ্বালানিনির্ভর বিদ্যুৎ উৎপাদন ও ব্যবহার করার ক্ষেত্রে জার্মানিকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের বাড়তি ব্যয় ও ইউনিটপ্রতি বিদ্যুতের বাড়তি মূল্যের চাপ মোকাবিলার বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে ভাবতে হয়। সে কারণে প্যারিস জলবায়ু চুক্তির অন্যতম উদ্যোক্তা হয়েও জার্মানি তার ঘোষিত ২০২০ সালের কার্বন নিঃসরণ লক্ষ্যমাত্রা পূরণে চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে। বিশ্ব জলবায়ু সম্মেলনে জার্মানি প্যারিস সম্মেলনের লক্ষ্য অর্জনে পিছিয়ে থাকলে ইউরোপের অন্য দেশগুলো তাদের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করতে পারবে এমন নিশ্চয়তা নেই।
প্রিয়াকে নিয়ে ছি ছি...দেখতে আসুন আপডেট-খবর

প্রিয়াকে নিয়ে ছি ছি...দেখতে আসুন আপডেট-খবর

রাতারাতি তারকা বনে গিয়ে বেশ বিপদেই পড়েছেন মালায়ালম অভিনেত্রী প্রিয়া প্রকাশ ওয়ারিয়র। তাঁর এক চোখের ইশারায় ইন্টারনেট দুনিয়া দুলে উঠেছিল রোমাঞ্চে। এবার চুম্বনদৃশ্যের জন্য ইন্টারনেটেই বেদম বকা খাচ্ছেন সেই প্রিয়া।
প্রথম ছবি ‘উরু আডার লাভ’-এর মুক্তির দিন যতই এগিয়ে আসছে, ততই প্রিয়া প্রকাশকে নিয়ে আলোচনা উঠছে তুঙ্গে। এবারে তিনি হয়েছেন সমালোচিত। সম্প্রতি মুক্তি পাওয়া ছবির টিজারটি পছন্দ করেননি ইন্টারনেটবাসী। ফলে নিন্দায় ভেসে যাচ্ছেন এই নবাগত নায়িকা। তাঁকে নিয়ে কেবল ছি ছি শোনা যাচ্ছে ইন্টারনেটজুড়ে।

গত বছর ইন্টারনেটে ভাইরাল হয় ‘উরু আডার লাভ’ ছবির একটি ক্লিপ। যেখানে প্রিয়ার এক চোখের ইশারার একটি দৃশ্য দুনিয়া মাতিয়ে দিয়েছিল। সেই থেকে তিনি এমন আলোচিত হয়েছিলেন যে, প্রথম ছবি মুক্তির আগেই অনেকগুলো ছবির প্রস্তাব পেয়ে যান। ভাইরাল হওয়া ওই ক্লিপের কারণে সামাজিক মিডিয়ায় লাখখানেক অনুসারী বেড়ে যায় তাঁর। এবার রীতিমতো বকা খেতে হচ্ছে তাঁকে।
‘উরু আডার লাভ’ ছবির টিজারের একটি দৃশ্যটাইমস নাউ নিউজের খবরে বলা হয়েছে, সম্প্রতি ভাইরাল হওয়া দৃশ্যটি ছবির অন্যতম অভিনয়শিল্পী রোশন আবদুল রাহুফের সঙ্গে প্রিয়ার চুম্বনের দৃশ্য। এ দৃশ্য মেনে নিতে পারেননি ভক্তরা। প্রিয়াকে উল্লেখ করে অনেকে বলছেন, ‘আজকাল ছেলেমেয়েরা তাহলে স্কুলেই চুমু খেতে শুরু করবে?’ স্কুলপড়ুয়া শিক্ষার্থীদের দিয়ে এ রকম চরিত্রে অভিনয় করিয়ে ভারতীয় মূল্যবোধ ধ্বংসে কাজ করছেন ছবির পরিচালক ও অভিনয়শিল্পীরা। সম্প্রতি ভাইরাল হওয়া টিজারটির বিরুদ্ধে এ অভিযোগ উঠেছে। ভিডিওটি ৪৪ হাজারের বেশি ডিজলাইক পেয়েছে মাত্র ২২ হাজার লাইকের বিপরীতে।

প্রিয়া প্রকাশ অভিনীত ‘উরু আডার লাভ’ ছবিটি মুক্তি পাবে ফেব্রুয়ারির ১৪ তারিখ। মালায়ালম ছাড়াও তেলেগু, কান্নাড়া ভাষাতেও ছবিটি মুক্তি পাবে। এমনকি ছবির একটি হিন্দি সংস্করণও মুক্তি পেতে পারে। এ ছাড়া শিগগির বলিউডে অভিষেক হতে যাচ্ছে প্রিয়ার। ‘শ্রীদেবী বাংলো’ নামে একটি ছবিতে অভিনয় করেছেন তিনি। সেই ছবি নিয়েও আলোচনার কমতি নেই। ছবির প্রথম টিজার মুক্তির পরেই ছবির সব শিল্পী ও কলাকুশলীদের বিরুদ্ধে উকিল নোটিশ পাঠিয়েছিলেন প্রয়াত অভিনেত্রী শ্রীদেবীর স্বামী বনি কাপুর।

 বারুদে ডার্বি শেষে রিয়ালের দাপুটে জয়....দেখতে আসুন আপডেট-খবর

বারুদে ডার্বি শেষে রিয়ালের দাপুটে জয়....দেখতে আসুন আপডেট-খবর


কী ছিল না ম্যাচে? বাইসাইকেল কিকে গোল করলেন কেউ, কেউ গোল করে ভিডিও রেফারিং দিয়ে নিশ্চিত করলেন। পেনাল্টিও হলো, ঘরের ছেলে পর হয়ে গিয়ে গোল উদ্‌যাপন করে আবার বাতিল হতে দেখলেন। মুহুর্মুহু ফাউলের বাঁশি বাজল। মুড়ি মুড়কির মতো হলুদ কার্ড বিলিয়ে গেলেন রেফারি। একটা লাল কার্ডের দেখাও মিলল। একটা ডার্বির কাছ থেকে এর চেয়ে বেশি আর চাওয়া ঠিক নয়। মহাগুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদকে তাদেরই ঘরের মাঠে ৩-১ ব্যবধানে হারাল রিয়াল মাদ্রিদ। এ জয়ে নগর প্রতিদ্বন্দ্বীদের টপকে লিগে দ্বিতীয়স্থানে চলে এল রিয়াল।
স্প্যানিশ ধারাভাষ্যকারদের কাছে কাসেমিরোর একটি নাম আছে, ‘অদৃশ্য মানব!’ মাঠে অতি আক্রমণাত্মক ফাউল করেও বারবার রেফারির নজর এড়িয়ে যান বলে এই নাম জুটেছে তাঁর। আজ তাঁর নামের সার্থকতা প্রমাণিত হয়েছে। তবে কাসেমিরো নন, অ্যাটলেটিকোর রক্ষণ সেটা করেছে। ম্যাচের ১৬ মিনিটে বক্সে উড়ে আসা বলে হেড করতে লাফিয়ে উঠেছিলেন সার্জিও রামোস ও রাফায়েল ভারানেরা। তাঁদের আটকাতে অ্যাটলেটিকো রক্ষণের সবাই ছুটে গেলেন। বল এসে পড়ল গোলরক্ষকের সামনে অরক্ষিত কাসেমিরোর কাছে। গোলবারকে নিজের পিঠের দিকে পেয়ে কাসেমিরোও করলেন অভাবনীয় এক কাণ্ড। সবাইকে অবাক করে বাই সাইকেল কিকে ইয়ান ওবলাককে ফাঁকি দিয়ে বল পাঠালেন জালে।
ম্যাচে ফিরতে অ্যাটলেটিকো বেশি সময় নেয়নি। ২৫ মিনিটে ভিনিসিয়ুসের সঙ্গে বল দখলের লড়াইয়ে জিতে ডিফেন্স চেড়া এক পাস দিয়েছেন আনহেল কোরেয়া। প্রায় মাঝমাঠে থাকা রিয়াল রক্ষণ আঁতোয়ান গ্রিজমানকে অফসাইডের ফাঁদে ফেলতে গিয়ে নিজেরাই বিপদে পড়েছেন। থিবো কোর্তোয়ার পায়ের ফাঁক দিয়ে বল জালে পাঠাতে ভুল হয়নি গ্রিজমানের। রিয়াল অবশ্য এর আগেই ম্যাচে এগিয়ে যেতে পারত আরেকবার। যদি না ২০ মিনিটে ভিনিসিয়ুসের পাস ঠিকমতো পায়ে লাগাতে পারতেন ভাসকেজ।
এ নিয়ে রিয়ালকে মাথা চাপড়াতে হয়নি। প্রথম ৩০ মিনিটের দম আটকানো ফুটবলের পর সবাই যখন একটু স্থির হয়ে শ্বাস নেওয়ার অপেক্ষায়। ঠিক তখন ৪২ মিনিটে ট্রেড মার্কে এক দৌড় দিলে ব্রাজিলিয়ান উইঙ্গার। ভিনিসিয়ুসকে আটকাতে শুধু হলুদ কার্ডই খাননি হিমেনেজ, পেনাল্টিও উপহার দিয়েছেন। দলকে এগিয়ে নিতে ভুল হয়নি রামোসের।
এই জানুয়ারিতেই অ্যাটলেটিকোতে যোগ দিয়েছেন আলভারো মোরাতা। রিয়ালের একাডেমিতে পরিপূর্ণ রূপ পাওয়া এই স্ট্রাইকার নিজের সাবেক দলের বিপক্ষে গোলই করে বসলেন ৫৪ মিনিটে। তিন বছর আগে জুভেন্টাসের হয়ে একই কাজ করে উদ্‌যাপন না করা মোরাতা এবার উদ্‌যাপন করেছেন ঠিকই। কিন্তু রেফারি জানালেন, ওটা অফসাইড ছিল। এবারও ভিডিও অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারির সহযোগিতা নিতে হয়েছে তাঁকে।
৭৪ মিনিটে ম্যাচটা শেষ করে দিয়েছেন বদলি নামা গ্যারেথ বেল। লুকা মদরিচের সাজিয়ে দেওয়া এক বল থেকে দারুণ এক গোল করে ফর্মে ফেরার আশা জাগিয়েছেন বেল। ৮০ মিনিটে টমাস পার্টে লাল কার্ড দেখে বের হয়ে যাওয়ার পর অ্যাটলেটিকোর হার নিশ্চিত হয়ে গেছে। ম্যাচের বাকি সময়টা নিজেদের মধ্যে বল চালাচালি করে অ্যাটলেটিকোর কষ্ট বাড়িয়েছে রিয়াল। এর মাঝেও দুটো সহজ গোলের সুযোগ নষ্ট করেছে তারা।
 ফ্রিল্যান্সিং খাত থেকে আয়ের নতুন ৫ উপায়....আসুন আপডেট-খবর

ফ্রিল্যান্সিং খাত থেকে আয়ের নতুন ৫ উপায়....আসুন আপডেট-খবর

ফ্রিল্যান্সারদের নিয়ে কাজের একটি বিশাল বাজার তৈরি হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এ খাতের উদ্যোক্তারা ফ্রিল্যান্সারদের নিয়ে কাজ করতে শুরু করেছেন। এ খাত থেকেও অর্থ আয়ের নতুন নতুন উপায় নিয়ে কাজ করছেন তাঁরা।

এন্টারপ্রেনার ডটকমের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, বর্তমান দুনিয়ায় ফ্রিল্যান্সিংকেও পুরোপুরি পেশা হিসেবে বেছে নিয়েছেন অনেকেই। এখানে প্রকল্প ভিত্তিতে একের পর এক কাজের সুযোগ থাকে। যেকোনো জায়গায় বসে বিশ্বের যেকোনো কাজ করা যায়। এ ক্ষেত্রে ফ্রিল্যান্সারের কাজের ওপর ছড়ি ঘোরানোর কেউ থাকে না বলে প্রতি বছর এখাতে মানুষের আগ্রহ বাড়ছে।

সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের ফ্রিল্যান্সারদের নিয়ে একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে। এডেলম্যান ইনটেলিজেন্স নামের ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০১৭ সালে শুধু যুক্তরাষ্ট্রে ৫ কোটি ৭৩ লাখ মানুষ ফ্রিল্যান্সার হিসেবে কাজ করেছেন। এ হিসাব ধরলে দেশটির ৩৬ শতাংশ মানুষ ফ্রিল্যান্সিং কাজের সঙ্গে যুক্ত। এই প্রতিবেদনে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছ, তাদের হিসাব অনুযায়ী ২০২৭ সাল নাগাদ যুক্তরাষ্ট্রের ৫০ শতাংশ কর্মী ফ্রিল্যান্সিং কাজের সঙ্গে যুক্ত হবেন। বাংলাদেশেও ফ্রিল্যান্সিং নিয়ে অনেকেই কাজ করছেন।
ফ্রিল্যান্সিং কাজ করার আগ্রহ বাড়তে থাকায় অনেক উদ্যোক্তা এই কমিউনিটি নিজে কাজে আগ্রহ দেখাচ্ছেন। যাঁরা ফ্রিল্যান্সারদের বাজার লক্ষ্য করে সেবা বাড়াতে চান তারা এখাত থেকেও অর্থ আয় করতে পারেন। ফ্রিল্যান্সিংয়ের বাজার থেকে অর্থ আয়ের উপায়: আসুন
1:-ফ্রিল্যান্সারদের কাজ খোঁজার সুবিধা:অনেক সময় ফ্রিল্যান্সাররা কাজ খুঁজে পান না। তাঁদের কাজ পেতে চেষ্টা করতে করতে হতাশ হতে পারেন। তাদের লক্ষ্য করে যদি সেবা আনা যায় তবে সেখান থেকে অর্থ আয় হতে পারে। যেমন তারকাদের অনেক সময় এজেন্টের প্রয়োজন পড়ে তেমনি ফ্রিল্যান্সারদের কাজ খুঁজে দেওয়ার জন্যও সেবার প্রয়োজন পড়ে। অনেক সময় ফ্রিল্যান্সারদের হাতে এত কাজ থাকে যে তারা আর সেবা বাড়াতে পারেন না। তখন তাকে উদ্যোক্তা হিসেবে সেবা বাড়ানোর প্রয়োজন পড়ে। কিন্তু এখাতে যারা নতুন তাদের জন্য কাজ খুঁজে পাওয়া কঠিন। উদ্যোক্তারা চাইলে নতুন ফ্রিল্যান্সারদের কাজ দিয়ে নিজে তা থেকে অর্থ আয় করতে পারেন। ফ্রিল্যান্সারদের সঙ্গে কাজদাতার যোগাযোগ করিয়ে দেওয়া বা নিজস্ব ব্যবসা এভাবে বাড়িয়ে নেওয়া সম্ভব।
2:-ফ্রিল্যান্সার ব্যবস্থাপনা: ফ্রিল্যান্সারদের এজেন্ট হওয়ার বিষয়টি ব্যবস্থাপনার কাজের একটি অংশ হতে। ফ্রিল্যান্সারদের কাজের খোঁজ দিয়ে বা বিভিন্ন কাজের সঙ্গে তাদের যুক্ত করার পর সেগুলো ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব নিয়ে অর্থ আয় করতে পারেন। যাঁদের স্থায়ী ক্লায়েন্ট বা ক্রেতা তৈরি হয় তাঁদের বাড়তি দায়িত্ব নিয়ে ব্যবসা বাড়াতে হয়। এ ক্ষেত্রে নিজে কাজের পাশাপাশি ব্যবস্থাপক হিসেবেও বড় হওয়ার সুযোগ থাকে। কারও হাতে যদি কোনো শিল্পী ফ্রিল্যান্সার থাকে তবে তাদের কাজগুলো বিক্রি করে দেওয়া, তাদের অর্থ দেখাশোনা করা, তাদের জন্য নেটওয়ার্ক তৈরি করে দেওয়ার মতো ব্যবস্থাপনার কাজ করেও আপনি অর্থ আয় করতে পারেন। তবে এ ক্ষেত্রে ব্যবস্থাপক হিসেবে ক্লায়েন্টের আস্থা অর্জন করাটা জরুরি।
3:-ফ্রিল্যান্সারদের জীবনবৃত্তান্ত ও কভার লেটারে সাহায্য করা: অনেক সময় কাজের জন্য তৈরি কভার লেটার ও সঠিক জীবনবৃত্তান্তের কারণে কাজ পান না নতুন কোনো ফ্রিল্যান্সার। যাঁদের লেখার দক্ষতা ভালো এবং দুর্দান্ত সিভি লিখতে পারেন তখন ফ্রিল্যান্সার কমিউনিটিতে আপনি উদ্যোক্তা হিসেবে ভালো করতে পারবেন। ফ্রিল্যান্সারদের ভালো জীবনবৃত্তান্তের ওপর অনেক কাজ নির্ভর করে। এ কাজে নিজেকে উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তুলতে পারলে ফ্রিল্যান্সারদের কাছে আপনি ফ্রিল্যান্সার উদ্যোক্তা হিসেবে অর্থ আয় করতে পারবেন।
4:-ফ্রিল্যান্সারদের দক্ষতা উন্নয়ন: অনেক ফ্রিল্যান্সার আছেন যাঁরা এখাতে নতুন এবং খুব বেশি দক্ষতা নিয়ে মাঠে নামেননি। তাঁদের জন্য প্রতিযোগিতার বাজারে টিকে থাকা শক্ত। তাই তাদের দক্ষতা বাড়াতে হবে। আপনি এ সুযোগ নিতে পারেন। নিজের দক্ষতা থাকলে আপনি তা অন্যদের শেখাতে পারেন। গ্রাফিকস ডিজাইন, সফটওয়্যার প্রকৌশল, লেখালেখির মতো নানা বিষয়ে আপনি প্রশিক্ষণ দিতে পারেন। যাঁরা দীর্ঘদিন ধরে ফ্রিল্যান্সিং খাতে কাজ করছেন তাঁরা দক্ষতা উন্নয়নের জন্য অন্যদের প্রশিক্ষণ দেওয়ার মাধ্যমে নিজেকে উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তুলতে পারেন।
5:-পেশাগত পরামর্শ: ফ্রিল্যান্সিং খাতে সঠিক দিকনির্দেশনা প্রয়োজন। যাঁরা এখাতে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করে অভিজ্ঞতা অর্জন করেছেন তাদের পরামর্শ নতুনদের জন্য কাজে লাগবে। আপনি চাইলে আপনার অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে উদ্যোক্তা হিসেবে এগিয়ে যেতে পারেন। নিজের ইউটিউব চ্যানেল, ফেসবুক গ্রুপ বা ব্লগ তৈরি করে আপনি পেশাগত পরামর্শ বিনিময় করতে পারেন। এ ক্ষেত্রে অনেকেই সফল হয়েছেন। যেহেতু এ খাতটি বড় হচ্ছে আপনিও এখাতে উদ্যোক্তা হিসেবে নিজেকে গড়ে তুলতে পারেন।

ফ্রিল্যান্সার হওয়ার জন্য সবচেয়ে বড় যে গুণটা দরকার, তা হল নিজ থেকে বুঝে নেয়ার ক্ষমতা!

আর খেয়াল করলে দেখবেন, এসব ট্রেনিং সেন্টারে ফ্রিল্যান্সিং বলে SEO কে বুঝানো হয়। কিন্তু একজন এক্সপার্ট এসিও প্রফেশনাল বলতে পারবেন এই ট্রেইনিং এ SEO এর ১০% ও শেখানো হয়না। কারণ ট্রেইনাররা ডাউনলোড করা কোর্স থেকে শেখায়, যা কিনা কয়েক বছর আগেই আউটডেটেড। আর এই খাতে প্রতিদিন নতুন আপডেট আসছে।
আবার সম্পূর্ণ SEO এর কাজ পুরো মার্কেটের কাজের ১% এর চেয়ে কম। তার মানে আরও ৯৯% কাজ আছে, যেগুলোতে বাংলাদেশি মানুষ নেই বললেই চলে।
একবার ভাবুন, ১% কাজ ধরলাম ১০ হাজার জব। কিন্তু অলিতে গলিতে ট্রেইনিং সেন্টাররা SEO ই শেখায়। সে হিসাবে SEO শেখা মানুষ লাখের উপরে। তার মানে এ খাতেও বেকারত্ব দেখা যাবে।
অন্যদিকে এন্ড্রয়েড ডেভেলপমেন্ট, গেইম ডেভেলপমেন্ট, থ্রিডি, অটোক্যাড, এনিমেশন, ডেটা সাইন্স এরকম কাজ গুলোতে এদেশের খুব কমই স্কিল্ড আছে। এই খাতে কম্পিটিশনও কম। ডিমান্ডিং কাজ গুলোর একটা স্টাডি কমেন্টে দিচ্ছি।

শনিবার, ৯ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯