রাজনীতি লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
রাজনীতি লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

রবিবার, ১০ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯

নালিশ আর মামলা বিএনপির শেষ ভরসা: কাদের.....দেখতে আসুন আপডেট-খবর

নালিশ আর মামলা বিএনপির শেষ ভরসা: কাদের.....দেখতে আসুন আপডেট-খবর


ওবায়দুল কাদের। ফাইল ছবিওবায়দুল কাদের। ফাইল ছবিআওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, বিএনপির আন্দোলন করার মতো সামর্থ্য নেই, তাই নালিশ আর মামলাই তাদের শেষ ভরসা।
আজ রোববার ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে এ কথা বলেন কাদের। তিনি উপজেলা নির্বাচনের দ্বিতীয় ধাপে দলীয় প্রার্থীদের নাম ঘোষণার পর এ মন্তব্য করেন। 

ওবায়দুল কাদের বলেন, যেকোনো নির্বাচনের ফল নিয়ে যে কারোরই মামলা দায়েরের অধিকার রয়েছে। জাতীয় নির্বাচনের ফল নিয়ে জেলা পর্যায়ে বিএনপির মামলা করার সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানাই।
উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে দলের মনোনয়ন পাওয়া এক প্রার্থীর বিষয়ে অভিযোগ সম্পর্কে জানতে চাইলে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘বিষয়টি আমরা তদন্ত করে দেখব। তাঁর বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সত্য হলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

পৌরসভার মেয়র বা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানরা উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারবেন কি না? এ বিষয়ে কাদেরের কাছে জানতে চাওয়া হয়। এর উত্তরে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘নির্বাচন কমিশনের আইনের ব্যত্যয় যেন না হয়, সে জন্য আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছি। সে জন্যই আমরা জাতীয় নির্বাচনে উপজেলা চেয়ারম্যান এবং মেয়রদের দলীয় মনোনয়ন দিইনি।’ তিনি আরও বলেন, ‘উপজেলা পরিষদ নির্বাচনেও আমরা মেয়র ও ইউনিয়ন পরিষদের কোনো চেয়ারম্যানকে মনোনয়ন দিইনি। তারপরও কোনো অভিযোগ পেলে আমরা তদন্ত করে ব্যবস্থা নেব।’
এ সময় সাংবাদিকের অপর এক প্রশ্নের সেতুমন্ত্রী কাদের বলেন, ‘গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) অনুযায়ী, আমরা শতকরা ৩৩ ভাগ নারী প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করার জন্য চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। আমাদের আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আরপিওর ধারাটি পুরোপুরিভাবে পালন করার টার্গেট রয়েছে।’
ওবায়দুল কাদের বলেন, ২২ ফেব্রুয়ারি তৃতীয়, ২৩ ফেব্রুয়ারি চতুর্থ এবং জুন মাসে পঞ্চম ধাপের উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে দলীয় প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করা হবে।
আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফ, সাংগঠনিক সম্পাদক আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক এবং তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদ, দপ্তর সম্পাদক আবদুস সোবহান গোলাপ প্রমুখ সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন।

শনিবার, ৯ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯

সোমবার, ১৪ জানুয়ারি, ২০১৯

রবিবার, ১২ জুন, ২০১৬

সাঁড়াশি অভিযান নিয়ে বিএনপির প্রশ্ন

সাঁড়াশি অভিযান নিয়ে বিএনপির প্রশ্ন

দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এই অভিযানকে বর্ণনা করেছেন ‘জনগণের আন্দোলনকে দমিয়ে রাখতে’ সরকারের একটি ‘কৌশল’ হিসেবে।  “আজ এই সাঁড়াশি অভিযানের অজুহাত দিয়ে তারা আবারও বিরোধী দলের ওপর চড়াও হবে বলে আমরা আশঙ্কা করছি,” বলেছেন তিনি। দেশে একের পর এক জঙ্গি কায়দায় হত্যা-হামলার প্রেক্ষাপটে বৃহস্পতিবার পুলিশ সদর দপ্তর থেকে এই অভিযানের ঘোষণা দেওয়া হয়।

‘জঙ্গিদের বিরুদ্ধে অভিযানে নামছে পুলিশ’ শিরোনামে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দেশব্যাপী এই অভিযান শুক্রবার ভোর থেকে শুরু হয়ে চলবে সাত দিন।  গত এক বছরে লেখক, প্রকাশক, অনলাইন অ্যাক্টিভিস্টদের হত্যার পাশাপাশি বিদেশি, হিন্দু পুরোহিত, খ্রিস্টান যাজক, বৌদ্ধ ভিক্ষু আক্রান্ত হওয়ার পর সম্প্রতি চট্টগ্রামে একই কায়দায় খুন হন এক পুলিশ কর্মকর্তার স্ত্রী। তারপরই পুলিশের এই অভিযানের যোষণা আসে।

সরকারবিরোধী আন্দোলনে নাশকতার দিকে ইঙ্গিত করে এসব হত্যাকাণ্ডের জন্য বিএনপি-জামায়াতকে দায়ী করে আসছেন ক্ষমতাসীন দলের নেতারা। ওই অভিযোগ ‘অমূলক নয়’ মন্তব্য করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বুধবার বলেন, “একটা কথা ভুলে গেলে চলবে না, আমি হেড অফ দি গভার্নমেন্ট। আমার কাছে নিশ্চয়ই তথ্য আছে।”

সাঁড়াশি অভিযান নিয়ে বিএনপির প্রশ্ন

এর পাল্টায় বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া বৃহস্পতিবার দাবি করেন, আওয়ামী লীগ ও তার রাজনৈতিক মিত্ররাই এসব ঘটনায় জড়িত।

নির্বাচনী সংঘাতে আহত গাইবান্ধার বিএনপি নেতা আজিজুর রহমানকে দেখতে শুক্রবার সকালে আগারগাঁওয়ের পঙ্গু হাসপাতালে গিয়ে মির্জা ফখরুলও সাংবাদিকদের সামনে এ বিষয়ে কথা বলেন।

গত কয়েক দিনে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে কথিত বন্দুকযুদ্ধে সন্দেহভাজন পাঁচ জঙ্গিসহ নয়জনের মৃত্যুর প্রসঙ্গে টেনে তিনি বলেন, “আপনারা লক্ষ্য করেছেন, এই ধরনের সাঁড়াশি অভিযানের কথা বলছে, ইতোমধ্যে ক্রসফায়ার বা তথাকথিত বন্দুকযুদ্ধের ঘটনাও বেড়ে গেছে।”

গত ২ জুন ইউনিয়ন পরিষদের শেষ ধাপের ভোটের দুদিন আগে গাইবান্ধায় গুলিতে আহত হন ফুলছড়ি উপজেলার ভেরেন্ডাবাড়ি ইউপিতে বিএনপির চেয়ারম্যান প্রার্থী আজিজুর রহমান। ভোটে তিনিই চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন।
জঙ্গি তৎপরতায় তৎপর ছাত্রদল-শিবির: কামরুল

জঙ্গি তৎপরতায় তৎপর ছাত্রদল-শিবির: কামরুল

শনিবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে এক অনুষ্ঠানে জঙ্গিবিরোধী ‘সাঁড়াশি অভিযানের’ নামে সরকারবিরোধীদের ‘দমনের’ যে অভিযোগ বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর করেছেন- তাও নাকচ করে দেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার কারামুক্তি দিবস উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসিতে ছাত্রলীগ আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখছিলেন কামরুল ইসলাম। খাদ্যমন্ত্রী কামরুল বলেন, “বিএনপি আজকে একটি সন্ত্রাসী সংগঠন। সরকার সাঁড়াশি অভিযান চালাচ্ছে জঙ্গিদের বিরুদ্ধে। মির্জা ফখরুল ইসলাম বলছেন, এটা বিএনপির নেতাকর্মীদের হেনস্তা-হয়রানি করার জন্য; আমি বলি, না।

“আলমগীর সাহেব, সরকার সন্ত্রাসী ধরতে অভিযান চালাচ্ছে। সন্ত্রাসীদের ধরার জন্য, সেই সন্ত্রাসীরা যদি আপনার দলের থাকে, সেই সন্ত্রাসী যদি ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা হয়- তাহলে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।” রাজনৈতিক পরিচয়ে সন্ত্রাসী হিসেবে কাজ করলে সরকার কোনো ছাড় দেবে না- জানিয়ে তিনি বলেন, “বহু সহ্য করেছি। বহু ছাড় দেওয়া হয়েছে।”

জঙ্গিদের বিরুদ্ধে শহরে ‘না পেরে’ গ্রাম-গঞ্জে সন্ত্রাসী তৎপরতা চালানোর অভিযোগ করে ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগ নেতা কামরুল বলেন, “শহরে পারে না, এখন গ্রামে-গঞ্জে গেছে- সন্ত্রাস করা জন্য।

জঙ্গি তৎপরতায় তৎপর ছাত্রদল-শিবির: কামরুল


“আজকে গোপন তৎপরতা, গুপ্ত তৎপরতা চালাচ্ছে। সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর হামলা চালাচ্ছে, নিরীহ ধর্মযাজকদের হত্যা করছে।” ছাত্রদল-ছাত্রশিবিরের কাউকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না- দাবি করে কামরুল ইসলাম বলেন, “বাটি চালান দিলেও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রদল-ছাত্রশিবির খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। কিন্তু এরা আছে। ছাত্রদল-ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীরা সারা দেশে জঙ্গি তৎপরতা চালানোর জন্য তৎপর রয়েছে।”

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া ও তার ছেলে তারেক রহমানের মামলা প্রায় ‘শেষ পথে’ মন্তব্য করে তিনি বলেন, “এদের ভবিষ্যৎ কী হবে- তারা জানে না। আজকে তারা মরিয়া হয়ে উঠেছে দেশটাকে ধ্বংস করতে।”

বিএনপি বিভিন্ন জঙ্গি সংগঠনকে পৃষ্ঠপোষকতা দিচ্ছে অভিযোগ করে কামরুল ইসলাম বলেন, “যারা সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত, তাদের অতীত ইতিহাস ঘেঁটে দেখা যায়, তারা জামায়াত-শিবিরের সঙ্গে সম্পৃক্ত। আপনারা তাদের সঙ্গে কাজ করছেন।” প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশ এগিয়ে যাচ্ছে মন্তব্য করে তিনি বলেন, “শিক্ষা বলেন, খাদ্য বলেন, কৃষি বলেন, বিদ্যুৎ বলেন- প্রত্যেকটা ক্ষেত্রে বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে। যেটা কল্পনাও করতে পারেনি বাংলাদেশের মানুষ।”

শেখ হাসিনা বিশ্ব রাজনীতির ক্ষেত্রেও সফল হয়েছেন মন্তব্য করে কামরুল ইসলাম বলেন, “যারা এই সফলতা সহ্য করতে পারে না, … তারাই বাংলাদেশকে নিয়ে ষড়যন্ত্র করে যাচ্ছে।

“এরা ষড়যন্ত্রের কোন পর্যায়ে চলে গেছে কল্পনাও করতে পারবেন না। বাংলাদেশকে জঙ্গিবাদী রাষ্ট্র বানানোর চেষ্টা করা হচ্ছে, সন্ত্রাসী রাষ্ট্র বানানোর চেষ্টা করা হচ্ছে এবং আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্রকারীদের সঙ্গে এই বিএনপি-জামায়ত গাটছাড়া বেঁধে সন্ত্রাসী তৎপরতা চালাচ্ছে।”

এসময় শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করতে ‘এসব সন্ত্রাসী ও ষড়যন্ত্রকারীর’ বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলার জন্য ছাত্রলীগের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

ছাত্রলীগ সভাপতি সাইফুর রহমান সোহাগের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সাধারণ সম্পাদক এস এম জাকির হোসাইন।

এতে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মাহফুজুল হায়দার চৌধুরী রোটন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি শেখ সোহেল রানা টিপু ও সাধারণ সম্পাদক সাজ্জাদ সাকিব বাদশা।
খালেদার ইফতারে বিদিশা

খালেদার ইফতারে বিদিশা

রাজধানীর বসুন্ধরা কনভেনশন সেন্টারের ‘নবরাত্রি হলে’ রাজনীতিবিদদের সম্মানে তার দেওয়া ইফতার পার্টিতে ছিলেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান এইচ এম এরশাদের সাবেক স্ত্রী বিদিশা সিদ্দিকও।ইফতারে বিএনপি নেতৃত্বাধীন ২০ দলীয় জোটের বাইরে শুধু কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সাধারণ সম্পাদক হাবিবুর রহমান তালুকদার ও সাংগঠনিক সম্পাদক শফিকুল ইসলাম দেলোয়ারসহ দলটির নেতারা অংশ নেন। আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা ও সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল ইসলামকে বিএনপি চেয়ারপারসন আমন্ত্রণ জানালেও তারা ইফতারে যোগ দেননি।

বিদিশা ২০ দলীয় জোটের অন্যতম শরিক জাতীয় পার্টির (কাজী জাফর) আহসান হাবিব লিংকন ও বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক শামা ওবায়েদের পাশে বসে ইফতার করেন। ইফতারের আগে খালেদা জিয়া আমন্ত্রিত অতিথিদের টেবিল ঘুরে ঘুরে তাদের সঙ্গে ‍কুশল বিনিময় করেন।

খালেদার ইফতারে বিদিশা

এলডিপির অলি আহমেদ, জামায়াতে ইসলামীর অধ্যাপক মজিবুর রহমান, ইসলামী ঐক্যজোটের এমএ রকিব, বিজেপির আন্দালিব রহমান পার্থসহ ২০ দলীয় জোটের শীর্ষ নেতাদের নিয়ে মূল টেবিলে ইফতার করেন বিএনপি চেয়ারপারসন।

জোটের অন্য শীর্ষ নেতাদের মধ্যে কল্যাণ পার্টির সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিম, এলডিপির রেদোয়ান আহমেদ, জামায়াতে ইসলামীর মসিউল আলম, সেলিম উদ্দিন, আবদুর রব, গোলাম মোস্তফা, আবদুল হালিম, শামীম সাঈদী, জাতীয় পার্টির (কাজী জাফর) টিআইএম ফজলে রাব্বী চৌধুরী, মোস্তফা জামাল হায়দার, এসএমএম আলম, আহসান হাবিব লিংকন, নোয়াব আলী আব্বাস খান, ইসলাম ঐক্যজোটের মাওলানা আবদুল করিম, খেলাফত মজলিশের মজিবুর রহমান পেশায়ারী, জাগপার শফিউল আলম প্রধান, এনডিপির ফরিদুজ্জামান ফরহাদ, খন্দকার গোলাম মূর্তজা, মুসলিম লীগের এএইচএম কামরুজ্জামান খান, লেবার পার্টির মোস্তাফিজুর রহমান ইরান, হামদুল্লাহ আল মেহেদি, পিপলস লীগের গরীবে নেওয়াজ, সৈয়দ মাহবুব হোসেন, ন্যাপ-ভাসানীর আজহারুল ইসলাম, বাংলাদেশ ন্যাপের জেবেল রহমান গানি, সাম্যবাদী দলের সাঈদ আহমেদ, জমিয়তে উলামায়ে ইসলামীর মুফতি মুহাম্মদ ওয়াক্কাস, মুফতি আবদুর রব ইউসুফী, ডিএল’র সাইফুদ্দিন মনি, ইসলামিক পার্টির আবু তাহের চৌধুরী ইফতারে অংশ নেন।

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, খন্দকার মোশাররফ হোসেন, মওদুদ আহমদ, মাহবুবুর রহমান, তরিকুল ইসলাম, আ স ম হান্নান শাহ, জমির উদ্দিন সরকার, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, নজরুল ইসলাম খান, চৌধুরী কামাল ইবনে ইউসুফ, এম মোর্শেদ খান, আবদুল্লাহ আল নোমান, আলতাফ হোসেন চৌধুরী, সেলিমা রহমান, খন্দকার মাহবুব হোসেন, শাহজাহান ওমর, মীর নাসির, ইনাম আহমেদ চৌধুরী, আবদুল হালিম, সুজাউদ্দিন, জয়নুল আবেদীন, এ জেড এম জাহিদ হোসেন, রুহুল আলম চৌধুরী, হায়দার আলী, আহমেদ আজম খান, আবদুল কাউয়ুম, আমানউল্লাহ আমান, মজিবুর রহমান সারোয়ার, সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, খায়রুল কবীর খোকন, লুৎফর রহমান খান আজাদ, রুহুল কদ্দুস তালুকদার দুলু, শহীদউদ্দিন চৌধুরী এ্যানি, অধ্যাপক আবদুল্লাহসহ কেন্দ্রীয় নেতা ও সাবেক সাংসদরা ছিলেন এই ইফতারে।
অভিযানের নামে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর জন্য ‘ঈদ বকশিশ’: বিএনপি

অভিযানের নামে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর জন্য ‘ঈদ বকশিশ’: বিএনপি

শনিবার এক সংবাদ সম্মেলনে দলের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেন, “গুপ্তহত্যা ঠেকাতে যৌথ অভিযান শুরুর পর সারাদেশে ১২’শর বেশি ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। অভিযোগ উঠেছে জঙ্গি দমনে অভিযান বলা হলেও বিএনপিসহ বিরোধীদলের নেতাকর্মীদের গ্রেপ্তার করা হচ্ছে।

এই ‘গণগ্রেপ্তারে’ ব্যাপকভাবে বাণিজ্যের অভিযোগ উঠেছে দাবি করে তিনি বলেন, সাধারণ মানুষ ও বিএনপিসহ বিরোধীদলের নেতাকর্মীদের ভয়ভীতি দেখিয়ে বড় অঙ্কের টাকা আদায় করা হচ্ছে।”

“পুলিশ নির্ভর অবৈধ ভোটারবিহীন সরকার ঈদের আগে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে বখশিস হিসেবে গ্রেপ্তার বাণিজ্যের সুযোগ করে দিচ্ছে বলে জনগণ মনে করে,” বলেন রিজভী।

দেশে একের পর এক জঙ্গি কায়দায় হত্যা-হামলার প্রেক্ষাপটে বৃহস্পতিবার পুলিশ সদর দপ্তর থেকে এই অভিযানের ঘোষণা দেওয়া হয়। 

অভিযানের নামে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর জন্য ‘ঈদ বকশিশ’: বিএনপি

‘জঙ্গিদের বিরুদ্ধে অভিযানে নামছে পুলিশ’ শিরোনামে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দেশব্যাপী এই অভিযান শুক্রবার ভোর থেকে শুরু হয়ে চলবে সাত দিন।

অভিযানের প্রথম দিন সারাদেশে সহস্রাধিক মানুষকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, যাদের মধ্যে ৩৭ জন ‘জঙ্গি’ রয়েছে বলে পুলিশের দাবি।

নয়া পল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে রিজভী বলেন, “আমরা বিভিন্ন জায়গা থেকে যেসব খবর পাচ্ছি, গণগ্রেপ্তারের নামে বিএনপির নেতাকর্মীদের বাসায় ঢুকছে, তল্লাশি করছে কোনো গ্রেপ্তারি পরোয়ানা ছাড়াই।

“সম্প্রতি উচ্চ আদালতে ৫৪ ধারা বিষয়ক যে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে, সেটিকে পুলিশ উপেক্ষা করছে। আমরা মনে করি এটি আদালতের প্রতি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর চরম ধৃষ্টতার শামিল।”

পাবনায় আশ্রমের সেবায়েত নিত্য রঞ্জন পান্ডে হত্যার নিন্দা জানিয়ে তিনি বলেন, “প্রধানমন্ত্রী নাকি হেড অব দ্য গভর্নমেন্ট হিসেবে সকল তথ্য পেয়ে থাকেন। তাই যদি হয়, তাহলে উনার সংবাদ সম্মেলনের একদিন পরেই নিত্য রঞ্জন পান্ডেকে কী করে কুপিয়ে হত্যা করলে দুর্বৃত্তরা?

“আসলে প্রধানমন্ত্রী প্রকৃত জঙ্গিবাদ দমন করতে চান না। মূলত বিরোধীদল দমনই তাদের উদ্দেশ্য। গতকাল আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য শেখ ফজলুল করীম সেলিম বলেছেন, শিগগিরই টার্গেট কিলিং বন্ধ হবে। এজন্য জনমনে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে, এসব হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় তারাই জড়িত কিনা?”

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া সারাদেশে গুপ্ত হত্যা চালাচ্ছেন বলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বক্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় রিজভী বলেন, “সকল দিক থেকে ব্যর্থ এই সরকার, কুপথগামী সরকার। উনার (শেখ হাসিনা) কুপথ ও কুকথা ছাড়া তো আর কিছু নাই। আজ ৭/৮ বছর উনি ক্ষমতায় আছেন। এই সময়ের মধ্যে জঙ্গিদের এতো ঘটনা এভাবে কেন এতো ডালপালা বিস্তার করল? এটা সকল দিক থেকে ব্যর্থ সরকারের পাগলের প্রলাপ ছাড়া আর কিছুই না।”

সংবাদ সম্মেলনে দলের যুগ্ম মহাসচিব মজিবুর রহমান সারোয়ার, সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, খায়রুল কবির খোকন, হারুনুর রশীদ, সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স, শামা ওবায়েদ, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আবদুস সালাম আজাদ, সেলিমুজ্জামান সেলিম, মাহবুবুল হক নান্নু, শহীদুল ইসলাম বাচ্চু প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০১৫

মেডিকেল ভর্তির পাশের হার ৫৮.৪ শতাংশ

মেডিকেল ভর্তির পাশের হার ৫৮.৪ শতাংশ

এবার মেডিক্যালে ভর্তির পাশের হার ৫৮.৪ শতাংশ । আজ রবিবার দুপুর পৌনে একটায় আনুষ্ঠানিক ভাবে এই খবর প্রকাশ করে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর । অধিদপ্তর থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, এবার মেডিকেল ও ডেন্টাল কলেজে মোট পরীক্ষার্থী ছিল ৮২ হাজার ৯৬৪ জন। এর মধ্যে পাস করেছেন ৪৮ হাজার ৪৪৮ জন। উত্তীর্ণদের মধ্যে সর্বোচ্চ নম্বর ছিল ৯৪ দশমিক ৭৫। সর্বনিম্ন নম্বর ৭৭ দশমিক ৪০। সরকারি মেডিকেল কলেজে আসন সংখ্যা তিন হাজার ১৬২টি, সরকারি ডেন্টালে ৫৩২টি, বেসরকারি মেডিকেল কলেজে ছয় হাজার ও বেসরকারি ডেন্টালে আসন সংখ্যা এক হাজার ৩৫৫টি।


মেডিকেল ভর্তির পাশের হার ৫৮.৪ শতাংশ


এদিকে প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগে সারাদেশে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ চলছে। দেশের বিভিন্ন স্থানে কর্মসূচি পালন করছেন মেডিকেলে ভর্তি-ইচ্ছুকরা। বিক্ষোভকারি শিক্ষার্থীদের দাবি, গত শুক্রবার অনুষ্ঠিত ওই পরীক্ষার ফলাফল স্থগিত করে পুনরায় পরীক্ষা নিতে হবে। পাশপাশি প্রশ্ন ফাঁসের সঙ্গে জড়িতদের শাস্তির আওতায় আনতে হবে। তারা আরও জানান, পরীক্ষার দিন সকালে ও আগের রাতে ফেসবুকে পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়েছে। তবে স্বাস্থ্য অধিদফতরের পরিচালক (শিক্ষা) এ বি এম আবদুল হান্নান অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছেন, পরীক্ষার পর প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগ তোলা যৌক্তিক নয়।

এদিকে প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগে সারাদেশে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ চলছে। দেশের বিভিন্ন স্থানে কর্মসূচি পালন করছেন মেডিকেলে ভর্তি-ইচ্ছুকরা। বিক্ষোভকারি শিক্ষার্থীদের দাবি, গত শুক্রবার অনুষ্ঠিত ওই পরীক্ষার ফলাফল স্থগিত করে পুনরায় পরীক্ষা নিতে হবে। পাশপাশি প্রশ্ন ফাঁসের সঙ্গে জড়িতদের শাস্তির আওতায় আনতে হবে। তারা আরও জানান, পরীক্ষার দিন সকালে ও আগের রাতে ফেসবুকে পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়েছে। তবে স্বাস্থ্য অধিদফতরের পরিচালক (শিক্ষা) এ বি এম আবদুল হান্নান অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছেন, পরীক্ষার পর প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগ তোলা যৌক্তিক নয়।

এদিকে প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগে সারাদেশে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ চলছে। দেশের বিভিন্ন স্থানে কর্মসূচি পালন করছেন মেডিকেলে ভর্তি-ইচ্ছুকরা। বিক্ষোভকারি শিক্ষার্থীদের দাবি, গত শুক্রবার অনুষ্ঠিত ওই পরীক্ষার ফলাফল স্থগিত করে পুনরায় পরীক্ষা নিতে হবে। পাশপাশি প্রশ্ন ফাঁসের সঙ্গে জড়িতদের শাস্তির আওতায় আনতে হবে। তারা আরও জানান, পরীক্ষার দিন সকালে ও আগের রাতে ফেসবুকে পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়েছে। তবে স্বাস্থ্য অধিদফতরের পরিচালক (শিক্ষা) এ বি এম আবদুল হান্নান অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছেন, পরীক্ষার পর প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগ তোলা যৌক্তিক নয়।

এদিকে প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগে সারাদেশে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ চলছে। দেশের বিভিন্ন স্থানে কর্মসূচি পালন করছেন মেডিকেলে ভর্তি-ইচ্ছুকরা। বিক্ষোভকারি শিক্ষার্থীদের দাবি, গত শুক্রবার অনুষ্ঠিত ওই পরীক্ষার ফলাফল স্থগিত করে পুনরায় পরীক্ষা নিতে হবে। পাশপাশি প্রশ্ন ফাঁসের সঙ্গে জড়িতদের শাস্তির আওতায় আনতে হবে। তারা আরও জানান, পরীক্ষার দিন সকালে ও আগের রাতে ফেসবুকে পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়েছে। তবে স্বাস্থ্য অধিদফতরের পরিচালক (শিক্ষা) এ বি এম আবদুল হান্নান অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছেন, পরীক্ষার পর প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগ তোলা যৌক্তিক নয়।
মেডিকেলে প্রশ্ন ফাঁসের প্রতিবাদে দিনাজপুরে মানববন্ধন

মেডিকেলে প্রশ্ন ফাঁসের প্রতিবাদে দিনাজপুরে মানববন্ধন

আবারও প্রশ্ন পত্র ফাঁসের প্রতিবাদে দিনাজপুরের মেডিকেলে ভর্তিচ্ছু ছাত্র ছাত্রীরা মানববন্ধন করেছেন । রবিবার ফল প্রকাশের পর সচেতন ছাত্র ছাত্রীদের ব্যানারে উক্ত মানববন্ধন করেন ভর্তিচ্ছু এই ছাত্র-ছাত্রীবৃন্দ ।আবারও প্রশ্ন পত্র ফাঁসের প্রতিবাদে দিনাজপুরের মেডিকেলে ভর্তিচ্ছু ছাত্র ছাত্রীরা মানববন্ধন করেছেন । রবিবার ফল প্রকাশের পর সচেতন ছাত্র ছাত্রীদের ব্যানারে উক্ত মানববন্ধন করেন ভর্তিচ্ছু এই ছাত্র-ছাত্রীবৃন্দ ।আবারও প্রশ্ন পত্র ফাঁসের প্রতিবাদে দিনাজপুরের মেডিকেলে ভর্তিচ্ছু ছাত্র ছাত্রীরা মানববন্ধন করেছেন । রবিবার ফল প্রকাশের পর সচেতন ছাত্র ছাত্রীদের ব্যানারে উক্ত মানববন্ধন করেন ভর্তিচ্ছু এই ছাত্র-ছাত্রীবৃন্দ ।

মেডিকেলে প্রশ্ন ফাঁসের প্রতিবাদে দিনাজপুরে মানববন্ধন


সংশ্লিষ্টদের সাথে কথা বলে জানা যায় , ২০১২ সালে এমন প্রশ্ন পত্র ফাঁসের প্রতিবাদে রাস্তায় নেমেছিলো ছাত্রছাত্রীরা ।তারা তখন দাবি আদায় করে ঘরে ফিরেছিলো। এবারো আশা করা যায় দাবি আদায় করেই ঘরে ফেরা হবে । পূনরায় মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার দাবি তুলে দেখিয়ে দেই যে আমরা কোনভাবেই অন্যায় মেনে নেই না। উল্লেখ্য , মেডিকেলে ভর্তি পরীক্ষায় প্রশ্ন পত্র ফাঁসের অভিযোগ এনে এবং পুনরায় পরীক্ষা অনুষ্ঠিত করার দাবিতে সারা দেশেই আজ ফল প্রকাশের আগে এবং পরে এমন মানববন্ধন করা হয়েছে বলে খবর পাওয়া গেছে ।

সংশ্লিষ্টদের সাথে কথা বলে জানা যায় , ২০১২ সালে এমন প্রশ্ন পত্র ফাঁসের প্রতিবাদে রাস্তায় নেমেছিলো ছাত্রছাত্রীরা ।তারা তখন দাবি আদায় করে ঘরে ফিরেছিলো। এবারো আশা করা যায় দাবি আদায় করেই ঘরে ফেরা হবে । পূনরায় মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার দাবি তুলে দেখিয়ে দেই যে আমরা কোনভাবেই অন্যায় মেনে নেই না। উল্লেখ্য , মেডিকেলে ভর্তি পরীক্ষায় প্রশ্ন পত্র ফাঁসের অভিযোগ এনে এবং পুনরায় পরীক্ষা অনুষ্ঠিত করার দাবিতে সারা দেশেই আজ ফল প্রকাশের আগে এবং পরে এমন মানববন্ধন করা হয়েছে বলে খবর পাওয়া গেছে ।

সংশ্লিষ্টদের সাথে কথা বলে জানা যায় , ২০১২ সালে এমন প্রশ্ন পত্র ফাঁসের প্রতিবাদে রাস্তায় নেমেছিলো ছাত্রছাত্রীরা ।তারা তখন দাবি আদায় করে ঘরে ফিরেছিলো। এবারো আশা করা যায় দাবি আদায় করেই ঘরে ফেরা হবে । পূনরায় মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার দাবি তুলে দেখিয়ে দেই যে আমরা কোনভাবেই অন্যায় মেনে নেই না। উল্লেখ্য , মেডিকেলে ভর্তি পরীক্ষায় প্রশ্ন পত্র ফাঁসের অভিযোগ এনে এবং পুনরায় পরীক্ষা অনুষ্ঠিত করার দাবিতে সারা দেশেই আজ ফল প্রকাশের আগে এবং পরে এমন মানববন্ধন করা হয়েছে বলে খবর পাওয়া গেছে ।

সংশ্লিষ্টদের সাথে কথা বলে জানা যায় , ২০১২ সালে এমন প্রশ্ন পত্র ফাঁসের প্রতিবাদে রাস্তায় নেমেছিলো ছাত্রছাত্রীরা ।তারা তখন দাবি আদায় করে ঘরে ফিরেছিলো। এবারো আশা করা যায় দাবি আদায় করেই ঘরে ফেরা হবে । পূনরায় মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার দাবি তুলে দেখিয়ে দেই যে আমরা কোনভাবেই অন্যায় মেনে নেই না। উল্লেখ্য , মেডিকেলে ভর্তি পরীক্ষায় প্রশ্ন পত্র ফাঁসের অভিযোগ এনে এবং পুনরায় পরীক্ষা অনুষ্ঠিত করার দাবিতে সারা দেশেই আজ ফল প্রকাশের আগে এবং পরে এমন মানববন্ধন করা হয়েছে বলে খবর পাওয়া গেছে ।
ভারতকে ছাড় দিয়ে যাচ্ছে সরকার: বিএনপি

ভারতকে ছাড় দিয়ে যাচ্ছে সরকার: বিএনপি

সীমান্তে হত্যাকাণ্ডের পর এবং বাংলাদেশের উপর দিয়ে পণ্য পরিবহনে সরকার ভারতকে ছাড় দিয়ে যাচ্ছে বলে দাবি করেছে বিএনপি।শনিবার এক সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির মুখপাত্র আসাদুজ্জামান রিপন বলেন, ‘নৈতিকভাবে দুর্বল’ হওয়ার কারণে আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন সরকার এক্ষেত্রে দৃঢ় ভূমিকা রাখতে পারছে না। তিনি বলেন, “গত বুধবার ট্রানজিট-ট্রান্সশিপমেন্ট সংক্রান্ত একটি আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠক হয়েছে। সেই বৈঠকে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড একটি প্রস্তাব করেছিল, ভারতে যেসব কনটেইনার বাংলাদেশ অভ্যন্তরে দিয়ে অন্য রাজ্যে নেবে, তার ট্রানজিট ফি হবে ১০ হাজার টাকা। ট্রাকভেদে প্রতি টনে এক হাজার টাকা। এনবিআরের প্রস্তাব অগ্রাহ্য করে শেষমেষ মাত্র ৫৮০ টাকায় নামিয়ে আনা হয়েছে।”

ভারতকে ছাড় দিয়ে যাচ্ছে সরকার: বিএনপি



এক্ষেত্রে ভারত লাভবান হলেও বাংলাদেশের স্বার্থহানি ঘটেছে দাবি করে রিপন বলেন, “তাদের দূরত্ব হ্রাস ও মোট পরিবহন ব্যয় অনেক কম পড়বে। ভারত যে অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হচ্ছে, তার একটি অংশ বাংলাদেশ পেতেই পারে। আমরা শুধু ন্যায়সঙ্গত একটি হিৎসা দাবি করি।”

দুই দেশের মধ্যে অর্থনৈতিক সহযোগিতা জোরদারের পক্ষে থাকলেও এক্ষেত্রে বাংলাদেশ সরকার ‘নতজানু’ নীতি অবলম্বন করছে বলে বিএনপি নেতার দাবি।

“আমি মনে করি না, ভারতের সরকার বাংলাদেশকে ঠকিয়ে ট্রানজিট ফি কম দিয়ে একতরফাভাবে লাভবান হতে চায়। নৈতিকভাবে দুর্বল এই সরকার ভারতকে খুশি করার জন্য হাজার টাকার ট্রানজিট ফি ৫৮০ টাকায় নামিয়ে দিয়েছে।”

গত ১৭ সেপ্টেম্বর জয়পুরহাট সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে একজন বাংলাদেশি নিহত হওয়ার ঘটনার নিন্দা জানিয়ে রিপন বলেন, “দেশের অভ্যন্তরে অন্য দেশের বাহিনী প্রবেশ করে গোলাগুলি করে মানুষ মেরে ফেলে, এটা কোনো সার্বভৌম দেশের পক্ষে মেনে নেওয়া সম্ভব নয়। অথচ সরকার এ ব্যাপারে কার্য্কর কোনো প্রতিবাদ জানায়নি।”

সংবাদ সম্মেলনে রিপনের সঙ্গে ছিলেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আলতাফ হোসেন চৌধুরী, সাংগঠনিক সম্পাদক গোলাম আকবর খন্দকার, জলবায়ু বিষয়ক সম্পাদক আফজাল এইচ খান, সহ দপ্তর সম্পাদক আবদুল লতিফ জনি, আসাদুল করীম শাহিন, ঢাকা মহানগর মহিলা দলের সভানেত্রী সুলতানা আহমদ।
হাসিনাকেও ঈদ কার্ড খালেদার

হাসিনাকেও ঈদ কার্ড খালেদার

প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনাকে ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা কার্ড পাঠিয়েছেন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া।প্রধানমন্ত্রীর ঈদ শুভেচ্ছা কার্ড পাঠানোর দুদিন বাদে শনিবার বিএনপির সহ দপ্তর সম্পাদক আবদুল লতিফ জনির নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল ধানমণ্ডিতে আওয়ামী লীগ সভানেত্রীর রাজনৈতিক কার্যালয়ে গিয়ে দলীয় চেয়ারপারসনের কার্ডটি পৌঁছে দেন। আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় উপ কমিটির সহ-সম্পাদক সেকান্দর আলীর কাছে ঈদের শুভেচ্ছা কার্ডটি পৌছে দিয়ে আসেন জনি, বিএনপির সহ দপ্তর সম্পাদক শামীমুর রহমান শামীম ও আসাদুল করীম শাহিন।


হাসিনাকেও ঈদ কার্ড খালেদার




বর্তমানে চিকিৎসার জন্য খালেদা জিয়া যুক্তরাজ্যে রয়েছেন। ছেলে তারেক রহমানের সঙ্গে লন্ডনেই তিনি ঈদ করবেন।

গত বৃহস্পতিবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঈদ কার্ড পাঠিয়ে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে শুভেচ্ছা জানান।

দুই নেত্রীর মধ্যে দীর্ঘদিন মুখোমুখি দেখা-সাক্ষাৎ না হলেও বছরের দুটি ঈদ ও বাংলা নববর্ষে কার্ড পাঠিয়ে তারা শুভেচ্ছা বিনিময় করে থাকেন। এবারও এর ব্যতিক্রম হয়নি।

বর্তমানে চিকিৎসার জন্য খালেদা জিয়া যুক্তরাজ্যে রয়েছেন। ছেলে তারেক রহমানের সঙ্গে লন্ডনেই তিনি ঈদ করবেন।

গত বৃহস্পতিবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঈদ কার্ড পাঠিয়ে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে শুভেচ্ছা জানান।

দুই নেত্রীর মধ্যে দীর্ঘদিন মুখোমুখি দেখা-সাক্ষাৎ না হলেও বছরের দুটি ঈদ ও বাংলা নববর্ষে কার্ড পাঠিয়ে তারা শুভেচ্ছা বিনিময় করে থাকেন। এবারও এর ব্যতিক্রম হয়নি।

বর্তমানে চিকিৎসার জন্য খালেদা জিয়া যুক্তরাজ্যে রয়েছেন। ছেলে তারেক রহমানের সঙ্গে লন্ডনেই তিনি ঈদ করবেন।

গত বৃহস্পতিবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঈদ কার্ড পাঠিয়ে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে শুভেচ্ছা জানান।

দুই নেত্রীর মধ্যে দীর্ঘদিন মুখোমুখি দেখা-সাক্ষাৎ না হলেও বছরের দুটি ঈদ ও বাংলা নববর্ষে কার্ড পাঠিয়ে তারা শুভেচ্ছা বিনিময় করে থাকেন। এবারও এর ব্যতিক্রম হয়নি।
ডিইউজের নতুন কমিটি উদ্দেশ্যমূলক

ডিইউজের নতুন কমিটি উদ্দেশ্যমূলক

নতুন কমিটিকারীরা ‘সংগঠনের শৃঙ্খলার’ মধ্যে ফিরে না এলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ারও হুঁশিয়ারি দিয়েছে তারা। বিএনপি-জামায়াত সমর্থক ডিইউজের এ্ই অংশের আগের কমিটির সভাপতি আবদুল হাই শিকদার ও সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম প্রধান শনিবার এক বিবৃতি নতুন কমিটির বিষয়ে বলেছেন, “এটি সম্পূর্ণ বিভ্রান্তিমূলক ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।” সংগঠনের বার্ষিক সাধারণ সভায় নতুন নেতৃত্ব বেছে নিতে ডিসেম্বরের মধ্যে নির্বাচন করার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলেও এতে বলা হয়েছে। শুক্রবার জাতীয় প্রেসক্লাব মিলনায়তনে বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) করে ডিইউজের নতুন কমিটি ঘোষণা করে একাংশ, যারা জাতীয় প্রেসক্লাবে নতুন কমিটির পক্ষে অবস্থান জানিয়েছিলেন।

ডিইউজের নতুন কমিটি উদ্দেশ্যমূলক



প্রবীণ সাংবাদিক এলাহী নেওয়াজ খানকে সভাপতি এবং খায়রুল আলম বকুলকে সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত করা হয় ওই সভায়।

প্রেসক্লাবের বর্তমান কমিটির সাধারণ সম্পাদক কামরুল ইসলাম খান, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ইলিয়াস খান, সদস্য আমানুল্লাহ কবীরসহ বিএনপিপন্থি অনেক সাংবাদিক নেতা ওই সভায় উপস্থিত ছিলেন।

ডিইউজের ওই অংশ সম্পর্কে আগের কমিটির নেতাদের বিবৃতিতে বলা হয়, “এই বিভ্রান্ত ও বিপথগামী কতিপয় সদস্য অবিলম্বে সাংগঠনিক শৃঙ্খলার মধ্যে ফিরে না আসলে তাদের বিরুদ্ধে গঠনতন্ত্র মোতাবেক কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে এজিএমে।

“বিএফইউজে সভাপতি শওকত মাহমুদ, আমার দেশ সম্পাদক মাহমুদুর রহমানের মুক্তি, বন্ধ মিডিয়া খুলে দেওয়াসহ বিভিন্ন আন্দোলন নস্যাত করতে কিছু সদস্য অনৈক্য সৃষ্টির চেষ্টা করছে।”
মেডিকেলের ভর্তি ফল বাতিলের দাবি বিএনপির

মেডিকেলের ভর্তি ফল বাতিলের দাবি বিএনপির

রোববার এক সংবাদ সম্মেলনে দলের মুখপাত্র আসাদুজ্জামান রিপন বলেন, “প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়েছে। এটি একটি জাল পরীক্ষা ছিল। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর যে ফলাফল আজ ঘোষণা করেছে, তা অবশ্যই বাতিল করতে হবে।” মেডিকেলের ভর্তি পরীক্ষা নতুন করে নেওয়ার পাশাপাশি প্রশ্ন ফাঁস বন্ধে সরকারকে ‘কঠোর পদক্ষেপ’ নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।  গত শুক্রবার সারা দেশে ৪৪টি কেন্দ্রে সরকারি-বেসরকারি মেডিকেল ও ডেন্টাল কলেজগুলোর সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নেয় প্রায় ৮৩ হাজার শিক্ষার্থী। রোববার স্বাস্থ্য অধিদপ্তর এই পরীক্ষার যে ফলাফল ঘোষণা করেছে, তাতে ভর্তির যোগ্য শিক্ষার্থী পাওয়া গেছে ৪৮ হাজার ৪৪৮ জন। আসন কম হওয়ায় এদের মধ্যে ১১ হাজার ৪৯ জন শেষ পর্যন্ত ভর্তি হওয়ার সুযোগ পাবেন। ভর্তি পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র ফাঁস হওয়ার অভিযোগে শনিবার দেশের বিভিন্ন স্থানে বিক্ষোভ করেছেন পরীক্ষার্থীরা। ওই পরীক্ষা বাতিলের দাবিতে রোববার হাই কোর্টে একটি রিট আবেদন করেছেন সুপ্রিম কোর্টের এক আইনজীবী।


মেডিকেলের ভর্তি ফল বাতিলের দাবি বিএনপির



প্রশ্নপত্র ফাঁসের প্রতিবাদে ভর্তিচ্ছু ছাত্র-ছাত্রীদের আন্দোলনের প্রতি ‘নৈতিক সমর্থন’ জানিয়ে রিপন বলেন, বিএনপি মনে করে, এই আন্দোলন ‘ন্যায়সঙ্গত’।

“সরকারের তরফ থেকে বলা হচ্ছে, কোনো প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়নি। আমরা সরকারের কাছে জানতে চাই, প্রশ্নপত্র যদি ফাঁস না হয়ে থাকে, তাহলে কেন প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের একজন সহকারী পরিচালকসহ কয়েকজনকে র্যা ব গ্রেপ্তার করল,” প্রশ্ন করেন বিএনপির মুখপাত্র।

তিনি বলেন, “আমরা স্পষ্ট ভাষায় বলতে চাই, প্রশ্নপত্র অবশ্যই ফাঁস হয়েছে। পরীক্ষার্থীরা অভিযোগ করেছে, পরীক্ষার আগের রাতে এবং পরীক্ষার দিন সকালে ফেইসবুকের মাধ্যমে মেডিকেল ও ডেন্টাল কলেজে ভর্তির প্রশ্নপত্র ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্ট ফেইসবুকের আইডি অনুসন্ধান করলেই তা বের করা যায়। কিন্তু সরকার তা না করে একগুয়েমি প্রর্দশন করে আজ উল্টো জাল ফল প্র্কাশ করেছে।”

এই বিএনপি নেতা সরকারের উদ্দেশে বলেন, “আমরা দেখেছি, বিসিএস পরীক্ষার ফল বাতিল করা হয়েছিল। সুতরাং মেডিকেল কলেজের পরীক্ষার ফলাফল বাতিল করলে সরকারের পরাজয় ঘটবে না।”

প্রশ্ন ‘ফাঁসের ঘটনা’ দেশের শিক্ষা ব্যবস্থাপনা ও প্রশাসন পরিচালনায় সরকারের ‘চরম ব্যর্থতার’ প্রমাণ বলে মন্তব্য করেন রিপন।

অন্যদের মধ্যে বিএনপির শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক খায়রুল কবীর খোকন, সাংগঠনিক সম্পাদক আবদুস সালাম আজাদ, সহ দপ্তর সম্পাদক আসাদুল করীম শাহিন, মহিলা দলের সভানেত্রী নুরী আরা সাফা, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বিলকিস জাহান শিরিন, কৃষক দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক তকদির হোসেন জসিম সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন।
আগুন সন্ত্রাসীদের নির্বাসনে পাঠানো হবে: এইচ টি ইমাম

আগুন সন্ত্রাসীদের নির্বাসনে পাঠানো হবে: এইচ টি ইমাম


রাজনীতির নামে আগুন সন্ত্রাস সৃষ্টির হোতাদের রাজনৈতিভাবেই পরাজিত করে নির্বাসনে পাঠানো হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা এইচ টি ইমাম।

রোববার দুপুরে ধানমণ্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার রাজনৈতিক কার্যালয়ে এক অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে ‘বিএনপি-জামায়াতের অগ্নি-সন্ত্রাস বর্বরতার ১০০ দিন’ শিরোনামের একটি ফটো অ্যালবামের মোড়ক উন্মোচন করা হয়।

এইচ টি ইমাম বলেন, “২০১৩তে এসে যে তাণ্ডব এরা করেছে (বিএনপি জামায়াত) এরকম তাণ্ডব আমরা কখনো দেখিনি, কখনো চিন্তাও করতে পারিনি।

“এখন সন্ত্রাসের উপরে ফটো অ্যালবাম বের করছি। এটিই আমাদের শেষ নয়। আরো চলতে থাকবে। শত্রুকে পরাজিত করার ক্ষেত্রে ‘নিশ্চিহ্ন’ শব্দটি ব্যবহার করবো না। যতদিন পর্যন্ত এই নির্মম শত্রুকে সম্পূর্ণভাবে পরাজিত করে রাজনৈতিক নির্বাসন দেয়া না যায়, ততদিন আমাদের এ সংগ্রাম চলবে।”

প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা বলেন, এরা (অগ্নিসন্ত্রাসী) জনগণের সামনে কোনদিন টিকবে না। জনগণকে সাথে নিয়েই আমরা এগিয়ে চলেছি, এগিয়ে যাব।”


আগুন সন্ত্রাসীদের নির্বাসনে পাঠানো হবে: এইচ টি ইমাম


বক্তব্যের শুরুতেই অনুষ্ঠানে দেরিতে উপস্থিতি হওয়ার জন্য দুঃখ প্রকাশ করে ব্যাখ্যা দেন তিনি। প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা বলেন, “আজকেই প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় শাপলাতে প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে একটি অনুষ্ঠান হয়েছে। অনুষ্ঠানটি হল বার্ষিক কর্মসূচি সম্পাদনের চুক্তি সম্পাদিত। প্রত্যেক মন্ত্রণালয়ের পক্ষে সচিবগণ অঙ্গীকারনামায় সই করেছেন। তারা মন্ত্রণালয়ে বার্ষিক যে কর্মসূচি দেওয়া হয়েছে, তা সম্পূর্ণভাবে বাস্তবায়ন করবেন বলে অঙ্গীকার নামায় সই করেছেন।” পুলিশি বাধায় ৫ জানুয়ারি কর্মসূচি পালনে ব্যর্থ প্রায় তিন মাস অবরোধ ও হরতাল চালিয়ে যায় বিএনপি-জামায়াত জোট। 

অবরোধে গাড়িতে অগ্নিসংযোগ, পেট্রোল বোমা নিক্ষেপ, হাতবোমা বিস্ফোরণসহ নাশকতার নানা ঘটনায় শতাধিক মানুষের মৃত্যু হয়েছে। দগ্ধ হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসা নেন কয়েকশ মানুষ। স্বাগত বক্তব্যে আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক হাছান মাহমুদ বলেন, “কাকতালীয়ভাবে গতকাল বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য জনাব মাহবুবর রহমান বলেছেন, বাংলাদেশে মানুষ হত্যার মহোৎসব চলছে। কথাটি তিনি সত্য বলেছেন।”

 বিএনপি-জামায়াত বাংলাদেশে এই মানুষ হত্যার মহোৎসব শুরু করেছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে আওয়ামী লীগ নেতাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক আফজাল হোসেন, উপ-প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক অসীম কুমার উকিল, কার্যনির্বাহী সদস্য সুজিত রায় নন্দী প্রমুখ।